admin20, Author at Sarkar IT https://www.sarkarit.com/author/admin20/ Web Design & Development Company in Bangladesh Tue, 16 Nov 2021 12:35:16 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.3 https://www.sarkarit.com/wp-content/uploads/2021/06/cropped-Fav-ico-32x32.png admin20, Author at Sarkar IT https://www.sarkarit.com/author/admin20/ 32 32 ফেসবুক এ্যাড একাউন্ট বারবার ডিজেবল কেন হয়? ও এর সমাধান কী https://www.sarkarit.com/facebook-account-disable-issue-and-how-to-solve-it/ https://www.sarkarit.com/facebook-account-disable-issue-and-how-to-solve-it/#respond Tue, 16 Nov 2021 11:30:01 +0000 https://www.sarkarit.com/?p=8728 চলমান সময়ে ফেইসবুক একটি বহুল ব্যবহৃত মাধ্যম।ফেইসবুক দিন দিন ডিজিটাল বিঞ্জাপণের ক্ষেত্রে একটি বিশাল মাধ্যম হয়ে উঠতেছে যার অন্যতম একটি

The post ফেসবুক এ্যাড একাউন্ট বারবার ডিজেবল কেন হয়? ও এর সমাধান কী appeared first on Sarkar IT.

]]>

চলমান সময়ে ফেইসবুক একটি বহুল ব্যবহৃত মাধ্যম।ফেইসবুক দিন দিন ডিজিটাল বিঞ্জাপণের ক্ষেত্রে একটি বিশাল মাধ্যম হয়ে উঠতেছে যার অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে ফেইসবুক এর খরচ অন্যান্য মিডিয়ার তুলনায় কম। আপনি খুব সহজেই ফেইসবুক এর মাধ্যমে অতি অল্প সময়ের মধ্যে আপনার পণ্য বা সেবার নাম ছড়িয়ে দিতে পারবেন দেশের প্রায় ৩ কোটির ও বেশি ব্যবহার কারীর মাঝে। 

কিন্তু ফেসবুকে এই বিজ্ঞাপন দেওয়ার কাজটি সহজ হলেও কিছু নিয়ম-নীতি মেনে আপনাকে এ্যাড রান করতে হবে যা আপনার জন্য বা একজন সাধারণ ব্যবসায়ী বা উদ্যোক্তার জন্য মেনে চলা কঠিন ও সময়সাপেক্ষ।  আবার সময়ের সাথে সাথে  প্রতিনিয়তই আপডেট হচ্ছে নিয়ম-নীতি গুলো। আর এই নিয়ম-নীতি না মেনে বিজ্ঞাপন চালালে সাম্প্রতিক যে সমস্যা গুলি দেখা দিচ্ছে তা হলো: 

১. আপনার এ্যাড একাউন্টি হঠ্যাৎ করেই ডিজ্যাবল হয়ে যাওয়া  অথবা এ্যাডভার্টাইজিং রেস্ট্রিকডেট হয়ে যাওয়া। 

২. আপনার এ্যাড পোস্টি রান হতে কিছু সময় নিতে পারে।

৩. পেমেন্ট সংক্রান্ত নানা রকমের সমস্যা হওয়া

৪. এ্যাড পোস্ট থেকে কাঙ্ক্ষিত বা আশানুরূপ ফলাফল না পাওয়া

৫. একই ধরনের ভূল করার কারনে এ্যাড ব্যান হওয়া

৬. প্রতিষ্ঠানের ডোমেইন ব্যান হওয়া অথবা  ইউআরএল ব্যান হওয়া।

বর্তমান সময়ে ফেসবুকের ব্যবসা বা বিজ্ঞাপনের মাত্রা অত্যধিক বৃদ্ধি পেয়েছে  যার ফলে তারা বিভিন্ন ধরনের আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স (এআই) বসিয়েছে। যেই গুলির মাধ্যমে তারা  বিভিন্ন যাচাই প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন । যার ফলশ্রুতিতে অতি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কারণে অনেক ধরনের এ্যাড বা কনটেন্ট প্রতিনিয়ত রিজেক্ট হচ্ছে । যার দরুন ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। ফেসবুক এড একাউন্ট বারবার ডিজেবল হয়ে যাওয়ার কিছু কারণ জানা গিয়েছে-

ক. পেমেন্ট সঠিকভাবে না করা: ফেসবুক বিজ্ঞাপনের জন্য ভ্যাট প্রদান বাংলাদেশে বাধ্যতামূলক। বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা  এই ভ্যাট ফাঁকি দিতে  অনুমোদন বিহীন আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ে বা অন্য দেশের ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড ব্যবহার করেন। আর ঠিক এজন্যই তাদের এ্যাড একাউন্টি ডিজেবল হয়ে যায়। আর এই সমস্যার সমাধান হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদিত ব্যাংকের কার্ড ব্যবহার করে পেমেন্ট প্রদান করা।

খ.আমরা অনেক সময় আমাদের অনেক ব্যবসায়িক প্রয়োজেনে একাধিক ফেসবুক পেইজ ক্রিয়েট করে থাকি এবং একটি মাত্র এ্যাড একাউন্ট থেকেই ওই সমস্ত পেইজের বিজ্ঞাপন চালানো শুরু করি। তাই  একের অধিক পেইজের বিজ্ঞাপনের জন্য আলাদা আলাদা একাউন্ট ওপেন করে নেওয়া উচিত নয়তো একাউন্টি ডিজেবল হয়ে যাবে ।

গ. ফেসবুকে এ্যাড প্লেসমেন্ট এর অনেক গুলি ক্যাটাগরি রয়েছে। যার  মধ্যে ৩টি ক্যাটাগরি হচ্ছে স্পেশাল যেই  ক্যাটাগরি গুলিকে স্পেশাল ক্যাটাগরি হিসেবে এ্যাড করা হয়েছে। আর আপনার পণ্য বা সেবার নামের  বিঞ্জাপনটি  যদি এই ৩ তিন ক্যাটাগরির মধ্যে যেকোন একটি হয় তবে তার জন্য আপনাকে অবশ্যই স্পেশাল এ্যাড ক্যাটাগরি সিলেক্ট করে এ্যাড প্লেস করতে হবে। 

এই  তিনটি ক্যটাগরি হলোঃ

১) হাউজিং: অর্থ্যাৎ প্রপার্টি বিজনেস। আপনি যদি প্রপার্টি নিয়ে কোন এ্যাডদিতে চান তবে আপানার জন্য এই ক্যাটাগরিটি প্রযোজ্য হবে।

২) এ্যড বা বিঞ্জাপনটি  বীমা বা ঋণ নিয়ে হলে এই ক্যাটাগরিতে পড়বে।

৩) জব প্লেসমেন্ট : আপনি যদি কোন জবের জন্য কর্মী নিয়োগ দিতে চান তবে এটিও স্পেশাল ক্যাটাগরির মধ্যে গণ্য হবে।

ঘ.ফেইসবুক বিজ্ঞাপনে কপিরাইট বিষয়টি এখন অনেক গুরুত্বের সাথে দেখা হয়। এইজন্য কোন এ্যাড পোস্টে কপি করা কোনো প্রকার ইমেজ ও লেখা ব্যবহার করা যাবেনা। আর ইমেজের ব্যাবহার করার ক্ষেত্রে সঠিক সাইজ ও অল্প লেখা ব্যবহার করতে হবে। পোস্টে কোনো ওয়েব ইউআরএল শর্টার অ লুকএলাইক স্প্যামিং লিংক ব্যবহার করা যাবেনা। পোস্টে কোন প্রকার টাকার এমাউন্টের গ্যারান্টেড অফার বা লটারী অথবা জুয়ার মতো কোন কনটেন্ট ব্যবহার করা যাবে না।

ঙ. ফেইক প্রোফাইল ব্যবহার করে এ্যাড দেওয়া: 

আমাদের মধ্যে বেশির ভাগ লোকই  সঠিক তথ্য দিয়ে প্রোফাইল ক্রিয়েট করে না। বিভিন্ন কারণে বিভিন্ন ফেইক তথ্য দিয়ে প্রোফাইল ক্রিয়েট করে থাকে। বিশেষ করে ফেসবুকের নাম এবং জন্মতারিখের সাথে আইডি কার্ডের নাম এবং জন্মতারিখের কোনো প্রকার মিল তারা রাখে না!  আবার অনেকে দেখবেন একই ব্যক্তির নাম, ছবি ও তথ্য ব্যবহার করে একাধিক আইডি খুলেন। যে সকল কারণে আইডিগুলো রেস্ট্রিকটেড বা ডিজেবল হলে  রিভিউ দেওয়ার পরও আইডি ফিরে পাচ্ছেন না। সুতরাং  সঠিক তথ্য দিয়ে একটি প্রোফাইল আইডি ওপেন করতে হবে।

চ) ফেসবুকের বিজ্ঞাপন নীতি ভায়োলেট হলেঃ

আপনি যদি আপনার ফেসবুক বিজ্ঞাপন ম্যানেজার অ্যাকাউন্ট  খোলার আগে ফেসবুক বিজ্ঞাপন নীতিগুলি না পড়ে থাকেন তবে ভবিষ্যতে  ভূল থেকে বাঁচতে আমরা আপনাকে ফেসবুকের বিজ্ঞাপন নীতিগুলি পড়ে নেয়ার পরামর্শ দিই। ফেসবুকের বিজ্ঞাপননীতি ভায়োলেট করার কারনেই অনেকের ফেসবুক এড একাউন্ট ডিজেবল হয়ে যাচ্ছে। তাই এড প্রচারের আগে এই নীতিমালাগুলো খেয়াল রাখুন।

ছ)ফেসবুক কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড লঙ্ঘনঃ

ফেসবুক কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ডের ক্ষেত্রেও খুবই সতর্ক থাকতে হয়।ফেসবুকের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ডে বলা আছে কি ধরনের বিজ্ঞাপন সেখানে অনুমোদিত ও কোনগুলো নয়। আপনার ফেসবুক বিজ্ঞাপন অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় করার আরেকটি কারণ হতে পারে  আপনার ব্যবসায়িক পেইজ, বিজ্ঞাপন বা অন্য কোন ধরনের সামগ্রী যা আপনি কখনও পোস্ট করেছেন এবং সেটা হয়তো কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড ভায়োলেট করেছে।তাই সতর্ক থাকুন বিষয়টিতে।

ফেসবুক এড একাউন্ট ডিজেবল হয়ে যাওয়ার এই কারণগুলো সলভ করার মাধ্যমেই নিজের এড একাউন্টকে সুরক্ষা দিতে হবে।

The post ফেসবুক এ্যাড একাউন্ট বারবার ডিজেবল কেন হয়? ও এর সমাধান কী appeared first on Sarkar IT.

]]>
https://www.sarkarit.com/facebook-account-disable-issue-and-how-to-solve-it/feed/ 0
ফেসবুক এড কি ও কেন ফেইসবুক এড গুরুত্বপূর্ণ? https://www.sarkarit.com/what-is-facebook-ad-and-why-its-important/ https://www.sarkarit.com/what-is-facebook-ad-and-why-its-important/#respond Tue, 16 Nov 2021 11:08:08 +0000 https://www.sarkarit.com/?p=8722 সাধারনত যেসব বিজ্ঞাপনগুলো ফেসবুকের বিজ্ঞাপন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রদর্শিত হয়, তাই ফেসবুক এড।এসব বিজ্ঞাপনসমূহ ফেসবুকের ফিড, মেসেঞ্জার,ফেসবুক সেল পয়েন্টসহ ফেসবুকের সব

The post ফেসবুক এড কি ও কেন ফেইসবুক এড গুরুত্বপূর্ণ? appeared first on Sarkar IT.

]]>

সাধারনত যেসব বিজ্ঞাপনগুলো ফেসবুকের বিজ্ঞাপন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রদর্শিত হয়, তাই ফেসবুক এড।এসব বিজ্ঞাপনসমূহ ফেসবুকের ফিড, মেসেঞ্জার,ফেসবুক সেল পয়েন্টসহ ফেসবুকের সব ধরনের প্লাটফর্মগুলোতে প্রচার করে বিশেষ কোনো প্রডাক্টের মার্কেটিং করা হয়।এসব বিজ্ঞাপনসমূহ বিভিন্ন ফরমেটে আসে। চিত্র, ভিডিও, স্লাইড শো এবং আরও বিভিন্নভাবে বিজ্ঞাপনগুলো দর্শকদের সামনে তুলে ধরা হয়।এড তৈরী ও প্রচারের ক্ষেত্রে সচেতনভাবে  সুনির্দিষ্ট দর্শকদের লক্ষ্য করা হয়।যাতে সহজেই বিজ্ঞাপনদাতা  তার টার্গেট কাস্টমার পেয়ে যায়।

ফেসবুকে একটি বিজ্ঞাপন তৈরি করা আপনার ব্যক্তিগত পেইজে প্রোডাক্টসের ব্যাপারে পোস্ট করা থেকে অনেক আলাদা।

ফেসবুক বিজ্ঞাপন কি?

ফেসবুক বিজ্ঞাপনগুলি টাকা ব্যায় করে ফেসবুকে ব্যাবসার প্রচারনা চালাতে ব্যাবহার করা হয়। ফেসবুকের এডের বার্তাগুলি আপনার নিজের মতো করে লিখে আপনি নিজের পণ্যের প্রচারনা চালাতে পারবেন। ফেসবুকে এডের মাধ্যমে আপনি  অসংখ্য ভোক্তার কাছে আপনার পন্যের সুবিধাগুলো দারুনভাবে তুলে ধরতে পারবেন। বর্তমানে অধিকাংশ মানুষই অনলাইনের দুনিয়ার সাথে যুক্ত আছে।তাই ফেসবুক ব্যাবহার করে তাদের কাছে পৌছানো আপনার জন্য খুবই সহজ। 

যে কেউ তাদের ফেসবুক পেইজে বিনামূল্যে পোস্ট করতে পারে ঠিকই। কিন্তু বিনামূল্যে করা পোষ্টটি কাদের সামনে প্রদর্শিত হবে, তা আপনি জানেন না। আপনি কখনই জানেন না কে আপনার পোস্টগুলো দেখতে যাচ্ছে। তবে পেইজ বা পোস্ট প্রমোট করে আপনি খুবই ইজিলি আপনার টার্গেট পিপলের কাছে আপনার পন্যের তথ্য তুলে ধরতে পারবেন। এসব তথ্যগুলো দেখে তারা পন্যটি ক্রয় করবে কিনা, এই সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

ফেসবুক বিজ্ঞাপন বিভিন্ন ফরম্যাটে প্রচার করা সম্ভব।গ্রাফিক্স ডিজাইনিং, এনিমেশন গ্রাফিক্স,ভিডিওগ্রাফির মাধ্যমে যে যত সুন্দর মতো নিজের বিজ্ঞাপনগুলো ফুটিয়ে তুলতে পারবে, তার প্রোডাক্ট তত বেশি জনপ্রিয় হয়ে ওঠার সম্ভাবনা থাকে। 

ফেসবুক এড কেন ব্যাবসার প্রচারনায় গুরুত্বপূর্ণ :

এই শতাব্দীতে ইন্টারনেট যুগের শুরুর পর থেকে সাড়াবিশ্বে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা কেবল বেড়েই চলেছে। যে কোন কাজে এখন ইন্টারনেটের কোনো বিকল্প যেন একদমই নেই। এমনকি ছোট্ট সোনামনিদের হাতে হাতেও বিভিন্ন গ্যাজেট চলে যাওয়ায় তারাও এখন খুব ইজিলি এটি ব্যবহার করতে শিখে গেছে। ফেসবুক বা যে কোন ধরনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সাথে এখন প্রায় সকলেই জড়িত, কোন না কোন সামাজিক মাধ্যমে সবারই একটি একাউন্ট বা আইডি আছে।

সামাজিক মাধ্যমে এত এত মানুষের এত আগ্রহ স্বভাবতই পন্যের মার্কেটারদের চোখ এড়ায়নি। খুব অল্পসময়েই এ মাধ্যমগুলো বিজ্ঞাপনদাতাদের টার্গেটে পরিণত হয়ে যায়।কারণ, অসংখ্য মানুষের কাছে বিজ্ঞাপনের প্রচার ও প্রসারের সম্ভাবনাটা স্যোশাল মিডিয়ায় দ্বারা খুব সহজে সম্ভব।বিংশ শতাব্দীর শুরুভাগ থেকে ডিজিটাল মার্কেটিং এর ধারণা বেড়ে যাওয়ার ফলে সোশ্যাল নেটওয়ার্কগুলোও তাদের  প্রসারিত করে যার ফলশ্রুতিতে তারা মাধ্যমগুলো বিজ্ঞাপনের উপযোগী করে গড়ে তোলায় সচেষ্ট হয়।

প্রথমদিকে মার্কেটাররা নিজেদের মত করে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন দিলেও আজকাল এই মাধ্যমগুলোতে মোটাদাগে কিছু ফিচার দেয়া থাকে যা বিজ্ঞাপন দেয়ার জন্য খুবই সহায়ক। এর একটি বড় সুবিধা হল, আপনি আপনার নিজের মত করে বিজ্ঞাপন তৈরি করে এখানে প্রচার করতে পারেন। শুধু তাই না, আপনার টার্গেট গ্রুপ কারা হবে তাও আপনি ঠিক করে দিতে পারবেন। ফলে আপনি যাদের উদ্দেশ্য করে বিজ্ঞাপনটি তৈরি করেছেন তাদের কাছে খুব সহজেই তা পৌঁছে যায়। সামাজিক মাধ্যমগুলোর মধ্যে ফেসবুকই এ ব্যাপারে প্রথম পদক্ষেপ নেয় কারণ বিজ্ঞাপনদাতাদের নিজেদের মত করে বিজ্ঞাপন দেয়ার ফলে সামাজিক মাধ্যমগুলো আবেদন হারাচ্ছিল।

ফেসবুকের বিজ্ঞাপনের ফিচার ও পদ্ধতিগুলো এত অভাবনীয় যে, যে কেউই খুব সহজেই শিখে নিতে পারবে কীভাবে এখানে এড দিতে হয়। আবার, জনপ্রিয়তা বেশি থাকায় এর ব্যবহারকারীর সংখ্যাও বেশি। ফলে আপনি সহজেই বেশি সংখ্যক লোকের কাছে আপনার বার্তা পৌঁছে দিতে পারছেন। এই দুটি বিষয়ই ফেসবুক এডভারটাইজিং এর সুবিধাগুলোকে বেশি শক্তিশালী করেছে এবং এর থেকে সর্বোচ্চটুকু নেয়ার সম্ভাবনাও আপনার হাতেই রয়েছে।

তাই ছোটখাট ব্যবসায় থেকে মাঝারি সাইজের এন্টারপ্রাইজ কিংবা বড় বড় কর্পোরেশন; সবাই এখন ফেসবুকেই বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে। সুতরাং, আপনার ব্যবসায় যত ছোটই হোক না কেন, কিংবা যত বড়ই হোক না কেন, যে কোন প্রকারের বিজনেস থেকেই ফেসবুকের ভিত্তিতে আপনি খুব সহজেই মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি তৈরি করতে পারেন। আরও মজার ব্যাপার হল, এক্ষেত্রে আপনি অল্প বাজেটেই ভালো বিজ্ঞাপন তৈরী করে প্রচার করতে পারছেন।

এডভারটাইজিংএর জন্য ফেসবুককেই কেন বেছে নিবেন

ফেসবুকের একটি অনন্য ব্যাপার হল এখানে আপনার যেই প্রোফাইলটি আছে সেটি ব্যবহার করেই আপনি আপনার পেইজটি খুলতে পারছেন। আর যখন আপনার একটি ফেসবুক পেইজ থাকবে তখনই আপনি বিজ্ঞাপনের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ফেসবুক থেকে এর সর্বোচ্চ সুবিধা গুলো নিতে পারবেন। অর্থাৎ, ফেসবুক পেইজ আপনার বিজ্ঞাপনকে তরান্বিত করে। আপনার ব্যবসায় কিংবা কোন প্রতিষ্ঠান বা যে কোন কিছুকেই আপনি এই পেইজের মাধ্যমে তুলে ধরতে পারেন সবার সামনে।

এই পেইজে আপনি আপনার ব্যাবসার বিষয় সংক্রান্ত যে কোন ধরনের কন্টেন্ট শেয়ার করতে পারেন। ফলে আপনার ব্যাবসার বিষয়ে যাবতীয় তথ্য মানুষ এই পেইজ থেকেই খুব সহজে পেয়ে যাবে। আর এই প্রক্রিয়াতেই আপনার সেবা বা পণ্যের ব্র্যান্ডিং ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাবে। আপনি ব্যাবসা সম্বন্ধে যা প্রচার করতে চাইছেন, তা সম্পর্কে যাবতীয় ধারণা আপনার পেইজ থেকেই লোকে সহজে জানতে পারবে। 

ফলে, আপনার ফেইসবুক পেইজটি এক্ষেত্রে মানুষের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র হয়ে দাঁড়াতে পারে। আবার, এই পেইজ থেকেই আপনি ফেসবুকের কিছু বাড়তি অপশন ব্যবহার করে এটিকে একটি ই-কমার্স স্টোরে পরিণত করতে পারেন।

সুতরাং, আপনার প্রতিষ্ঠানকে মানুষের কাছে সবচেয়ে ভালোভাবে তুলে ধরতে ফেসবুক পেইজ একটি অনন্য ভূমিকা রাখতে পারে। এখান থেকে যাবতীয় তথ্য আপনি যেভাবে মানুষকে পৌঁছে দিতে চাচ্ছেন ঠিক সেভাবেই দিতে পারছেন। আপনার পণ্যের প্রচারের জন্য যেসকল ধরনের প্রচেষ্টা বা ভাবনা আপনার নিকট আছে তার সবকিছুই এই পেইজের মাধ্যমে আপনি বাস্তবে রূপ দিতে পারেন, এখান থেকে আপনার ব্যাবসার টার্গেট গ্রুপের সাথে সরাসরি  যোগাযোগের মাধ্যমে ভালো সম্পর্ক গড়তে পারবেন।

The post ফেসবুক এড কি ও কেন ফেইসবুক এড গুরুত্বপূর্ণ? appeared first on Sarkar IT.

]]>
https://www.sarkarit.com/what-is-facebook-ad-and-why-its-important/feed/ 0
SEO কী এবং এর গুরুত্ব https://www.sarkarit.com/what-is-seo-why-its-important/ https://www.sarkarit.com/what-is-seo-why-its-important/#respond Tue, 16 Nov 2021 10:45:52 +0000 https://www.sarkarit.com/?p=8716 SEO কাকে বলে? SEO শব্দটির সাথে ওয়েবসাইট বিষয়ক জানাশোনা আছে এমন প্রায় সবাই-ই পরিচিত। কারণ হলো, একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে

The post SEO কী এবং এর গুরুত্ব appeared first on Sarkar IT.

]]>

SEO কাকে বলে?

SEO শব্দটির সাথে ওয়েবসাইট বিষয়ক জানাশোনা আছে এমন প্রায় সবাই-ই পরিচিত। কারণ হলো, একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে তাতে নিয়মিতভাবে কনটেন্টগুলো আপলোড করলেই কাজ শেষ হয়ে যায় না। আপনার  তৈরি করা পরিশ্রমলব্ধ কনটেন্টগুলো আপনার ভিজিটরদের কাছে পৌঁছাচ্ছে কি না, সেটা নিশ্চিত হওয়াও অন্যতম প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। আজ এই আর্টিকেলটির মাধ্যমে আমরা SEO শব্দটির সাথে একটু গভিরভাবে পরিচিত হওয়ার চেষ্টা করবো এবং এটি কিভাবে কাজ  করে সেই সম্পর্কেও বিস্তারিত জানবো।

প্রথমেই আসি SEO আসলে কি?

SEO এর পূর্ণরূপ হলো Search Engine Optimization (সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন)। কোনো একটি ওয়েবসাইটে পাবলিশ করা কনটেন্টগুলো কোনো সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করা হলে তা যেন ভিজিটরের একদম সামনে চলে আসে, সেই অনুযায়ী ওয়েবসাইট এবং সাইটের আর্টিকেল বা কন্টেন্টগুলোকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় অপটিমাইজ বা বিশেষায়িত করার নামই  মূলত SEO। কি…  বুঝতে একটু কঠিন কঠিন মনে হচ্ছে?

চলুন, আরেকটু সহজভাবে বোঝার চেষ্টা করা যাক। ধরুন, আপনি আপনার ওয়েবসাইটে Video Editing সম্পর্কিত বিভিন্ন টিউটোরিয়ালসমূহ প্রকাশ করেন। সুতরাং আপনি চাচ্ছেন, কেউ যদি গুগলে Video Editing Tutorial লিখে সার্চ করে, তাহলে আপনার ওয়েবসাইটের কনটেন্টগুলো যেন তার সামনে সবার আগে চলে আসে। এবং সেখান থেকে ওই ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে।SEO প্রক্রিয়ায় মূলত এটিই করা হয়।

একটুখানি চিন্তা করুন যে, শুধুমাত্র আপনিই Video Editing সম্পর্কিত টিউটোরিয়াল প্রকাশ করেন না, আপনার মতো আরো অনেক মানুষই আছে, যারা একই ধরনের টিউটোরিয়ালসমূহ প্রকাশ করে। অথচ সার্চ ইঞ্জিন গুগল আপনার ওয়েবসাইটকেই কেন সার্চ রেজাল্টে সবার আগে দেখালো?

কারণটি হলো- আপনি আপনার ওয়েবসাইটে থাকা কনটেন্টগুলোকে গুগল সার্চ ইঞ্জিনে সবার আগে নিয়ে আসার জন্য কিছু কৌশল অবলম্বন করেছেন। আর এই কৌশলটিই হচ্ছে Search Engine Optimization বা SEO।

সুতরাং আমরা এটা বুঝতে সমর্থ হয়েছি যে, SEO বিষয়টা একধরনের কৌশল তথা টেকনিক যেটাকে ব্যবহার করার মাধ্যমে ওয়েবসাইটের কনটেন্টসমূহকে গুগলসহ যেকোন জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জনের সাথে র্যাঙ্ক করানো হয় এবং এই প্রসেসটি সম্পন্ন করার মাধ্যমে আমাদের সাইটগুলোতে বেশি পরিমাণে ভিউয়ার নিয়ে আসা সম্ভব।

মূলত SEO বিষয়টা ২ টাইপের হয়ে থাকেঃ

১। On Page SEO: যে SEO সমূহ ওয়েবসাইটের অভ্যন্তরে করা হয়ে থাকে, সাধারণত তাকে On Page SEO বলে। যেমনঃ কনটেন্টের সাথে টাইটেল, ট্যাগ, কিওয়ার্ড ইত্যাদী প্রাসঙ্গিক আছে কি না, তা নিশ্চিত করা।

২। Off Page SEO: যে SEO সমূহ ওয়েবসাইটের বাইরে করা হয়ে থাকে, তাকে On Page SEO বলে। যেমনঃ বিভিন্ন ব্লগ, সোশ্যাল মিডিয় বা ফোরামে ওয়েবসাইটের লিংক শেয়ার করা। অথবা ওয়েবসাইটের জন্য ব্যাকলিংক তৈরি করা ইত্যাদি।

ওয়েবসাইটের SEO করা কেন প্রয়োজন?

প্রথমেই উল্লেখ করেছিলাম, একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা এবং তাতে নিয়মিত কনটেন্ট আপলোড করাই শেষ কথা না। তৈরি করা কনটেন্টগুলো ভিজিটরদের কাছে পৌঁছাচ্ছে কি না, সেটা নিশ্চিত করাটাই অন্যতম প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। সুতরাং আপনার ওয়েবসাইটের কনটেন্টগুলো যেন গুগলে সার্চ করে সবার আগে ভিজিটরের কাছে পৌঁছায়, তার জন্য আপনার ওয়েবসাইটকে অপটিমাইজ করা অপরিহার্য।

মনে রাখুন, আপনি যদি আপনার ওয়েবসাইটকে SEO না করেন, তাহলে আপনার কনটেন্টগুলো সার্চ ইঞ্জিনের তৃতীয় অথবা চতুর্থ পেইজে শো করবে।অথবা হয়তো শো-ই করবে না। মূলত মানুষজন সাধারণত সার্চ রেজাল্টের প্রথম পেইজ বাদ রেখে পরের পেইজে তেমন একটা যায় না বা যেতে চায় না।

মোটকথা, বেশিরভাগ ভিজিটরই সেসকল ওয়েবসাইটগুলোতে প্রবেশ করবে, যেগুলো সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পেজে প্রদর্শিত হয়েছে। আর যেহেতু আপনার ওয়েবসাইটের কন্টেন্টগুলো সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পেজে প্রদর্শিত হচ্ছে না, তাই আপনি সম্ভাব্য অনেক ভিজিটর হারিয়ে ফেলবেন।

সুতরাং, একথাটা স্পষ্টই যে বর্তমান প্রতিযোগিতার এই বিশ্বে SEO কৌশল ছাড়া সার্চ ইঞ্জিন হতে ভিউয়ার বা ট্রাফিক পাওয়া প্রায় একধরনের অসম্ভব। মূলত SEO করা ব্যাতিত কোনো ওয়েবসাইটকেই সার্চ ইঞ্জিন একদম র‌্যাঙ্কই করে না।

বাংলাদেশের পরিস্থিতিতে SEO’র সম্ভাবনা ও ভবিষ্যত আসলে কেমন?

আমাদের  এদেশে বর্তমানে বিরাট বড় বড় ডিগ্রি/টাইটেল নিয়ে অনেকেই বেকার বসে আছেন কাজের সন্ধানে কিংবা একটি চাকরির আশায়। তবে একটি সত্যকথা হলো, তথ্য-প্রযুক্তির এই যুগে SEO জানলে বসে থাকার কোনো কারণ নেই। শুধু SEO-ই নয়, প্রযুক্তিগত যেকোনো ধরনের ক্ষেত্রগুলোতেই আপনার স্কীল থাকলে লোকাল কোনো মার্কেটেও আপনি অনেক কাজ সহজেই খুঁজে পাবেন। আর অনলাইনে এসব কাজের জন্য অনেক বড় বড় মার্কেটপ্লেস তো আছেই।

আর  যারা ওয়েব ডেভেলপমেন্টের কাজ করেন।তাদের জন্য SEO এর বিস্তর জ্ঞান থাকাটা বেশ জরুরী। কারণ, SEO এর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান নেই, এধরনের ওয়েব ডেভেলপারকে কখনোই একজন পূর্নাঙ্গ ডেভেলপার বলা যায় না।

প্রতিনিয়ত আমাদের দেশেই হাজার হাজার রকমের ওয়েবসাইট তৈরি হচ্ছে। আর তাই প্রতিনিয়ত SEO করার চাহিদাও বৃদ্ধি পাচ্ছে খুব দ্রুত গতিতেই । বিশ্বের বাজারে SEO ব্যাপারটি  এখন বিলিয়ন ডলারের মার্কেটে রূপ নিয়েছে। আর বাংলাদেশেও অদূর ভবিষ্যতে SEO হবে একটা বিশাল কর্মসংস্থানের উত্তম জায়গা। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী এ ধরনের কাজে নিয়োজিত রয়েছেন লাখ লাখ ফ্রিল্যান্সার।

সুতরাং, একথা বলা যেতে পারে আমাদের দেশে কিংবা বিশ্ব বাজারে SEO’র সম্ভাবনা খুব ভালো এবং SEO এক্সপার্ট জনশক্তির ভবিষ্যৎ খুবই উজ্জ্বল। তাই SEO তে সফলতা  পাওয়ার জন্য আপনার প্রয়োজন লেগে থাকার মন-মানসিকতা এবং প্রচণ্ড পরিশ্রম। পরিশ্রম আছে তাই বলে এটি কঠিন কিছু নয়। যেকোন স্কিলই আয়ত্ব করার  ক্ষেত্রে মন-প্রান দিয়ে লেগে থেকে কাজ করে গেলে সফলতা আসবেই ইনশাআল্লাহ।

The post SEO কী এবং এর গুরুত্ব appeared first on Sarkar IT.

]]>
https://www.sarkarit.com/what-is-seo-why-its-important/feed/ 0
বিজনেস শুরু করতে বিজনেস কনসালটেন্টের সাথে পরামর্শ কেন প্রয়োজন? https://www.sarkarit.com/why-business-consultation-is-needed-to-run-business/ https://www.sarkarit.com/why-business-consultation-is-needed-to-run-business/#respond Tue, 16 Nov 2021 09:48:59 +0000 https://www.sarkarit.com/?p=8706 বিজনেস শুরু করা ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর বুঝতে ও সঠিক পরামর্শ পেতে আপনার একজন প্রফেশনাল বিজনেস কনসালটেন্ট

The post বিজনেস শুরু করতে বিজনেস কনসালটেন্টের সাথে পরামর্শ কেন প্রয়োজন? appeared first on Sarkar IT.

]]>

বিজনেস শুরু করা ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর বুঝতে ও সঠিক পরামর্শ পেতে আপনার একজন প্রফেশনাল বিজনেস কনসালটেন্ট এর সাথে পরামর্শ করা খুবই প্রয়োজনীয়। বিজনেস কনসালটেন্ট হলো এমন একজন পেশাদার ব্যাক্তি যিনি সঠিক পরামর্শ ও গাইডলাইন দেওয়ার মাধ্যমে আপনার কোম্পানি বা বিজনেসকে সুন্দরভাবে পরিচালনা ও উন্নয়ন সাধনে সহায়তা করবে।এই আর্টিকেলটির মাধ্যমে জানতে পারবেন, একজন প্রফেশনাল বিজনেস কনসালটেন্ট কি এবং কেন ব্যাবসা পরিচালনায় একজন বিজনেস কনসালটেন্টের পরামর্শগ্রহন করা দরকার।

বিজনেস কনসালটেন্ট আসলে কী?

একজন বিজনেস কনসালটেন্ট হলো এমন একজন পেশাদার ব্যাক্তি যিনি ব্যাবসায়িক কর্তৃপক্ষকে তাদের এনালাইসিসের ভিত্তিতে পরামর্শ দিয়ে তাদের ব্যাবসায়ীক সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করে।এমনকি ব্যাবসার কোনো সিদ্ধান্ত বা কোনো কিছুতে সামান্যতম ত্রুটি থাকলেও বিজনেস কনসালটেন্ট তা খুব সহজেই তার বিচক্ষণতার মাধ্যমে খুজে বের করে।

একজন বিজনেস কনসালটেন্ট এর কাজ সাধারণত কী কী?

বিজনেস কনসালটেন্টরা আপনার ব্যবসার যে কোনো ধরনের পরামর্শগত প্রয়োজনে খুব ভালোভাবে সাহায্য করতে পারে।  কিছু কিছু বিজনেস কনসালটেন্টরা বিশেষ বিশেষ ইন্ডাস্ট্রির ব্যাপারে খুব বেশি ধারনা রাখেন তথা নির্দিষ্ট বিজনেস ইন্ডাস্ট্রির ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ।আবার কেউ কেউ সাধারণভাবে সব ধরনের ইন্ডাস্ট্রির ব্যাপারেই ধারনা রাখেন।বিজনেস কনসালটেন্টরা বিভিন্ন ধরনের সেবা প্রদান করেন।কিছু সাধারণ সার্ভিসের কথা নিচে লেখা হলোঃ

১)কোম্পানির সমস্যা ও বাধাগুলি চিহ্নিত করা

২)কোম্পানির উন্নতির লক্ষ্যে কী ধরনের পরিবর্তন করা দরকার তা নির্ধারণ করা এবং পরিবর্তনগুলি বাস্তবায়নে মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করে  সহায়তা করা

৩)কর্মীদেরকে বিজনেস পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ এবং ম্যাটারিয়াল প্রদান করা

৪)একটি ব্যবসায় খুব ভালো উন্নতি করার জন্য বাক্সের বাইরে আইডিয়া বের করা

৫)ব্যবসায়িক পরিকল্পনা এবং নতুন ব্যবসা তৈরিতে সহায়তা করা

৬)নতুন নতুন প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন

৭) কোম্পানির বাজেট বিশ্লেষণ করা ও সমন্বয় করার জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করা

বিজনেস কনসালটেন্টদের সুবিধা কি?

 – একজন  বিজনেস কনসালটেন্ট নিয়োগ করা একটি কোম্পানিকে অনেক সুবিধা প্রদান করতে পারে।  সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণগুলির মধ্যে রয়েছে কোম্পানির বাইরের দৃষ্টিভঙ্গির সুবিধা গ্রহণ করা, অন্যান্য ক্লায়েন্ট এবং ইন্ডাস্ট্রির কাছ থেকে নেওয়া অন্তর্দৃষ্টি এবং দক্ষতা ব্যবহার করা, পরিকল্পনা তৈরিতে সহায়তা গ্রহণ করা এবং সেগুলি সংঘটিত করার জন্য সংস্থান এবং আরও অনেক কিছু।  বৃহত্তর বোঝার জন্য নীচে কিছু নির্দিষ্ট উদাহরণ দেওয়া হল।

১) একজন ব্যবসায়িক পরামর্শদাতার একটি সক্রিয় ও সৃজনশীল মাইন্ড এবং দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে, যা তাদের এমন সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম জিনিসগুলিও ফোকাস করতে দেয়  যা সাধারনত ব্যবসার মালিকরা তেমন একটি নাও করতে পারে।তাই বিজনেস কনসালটেন্টের ফোকাসকৃত সূক্ষ্ম পয়েন্টগুলো বিজনেসের খুব ভালো উন্নতি ঘটাতে পারে।

২)বিজনেস কনসালটেন্টরা প্রায়ই একাধিক ইন্ডাস্ট্রির সাথে এবং বিভিন্ন ধরনের ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করে। এর ফলে তারা অনেকগুলো উৎস থেকে ব্যাবসায়ীক অভিজ্ঞতা ও ধারনা  লাভ করতে পারে। তারা অন্যান্য ইন্ডাস্ট্রি থেকে প্রাপ্ত দক্ষতা বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিতে ব্যবহার করতে পারে।

৩)আপনার জন্য আপনার কোম্পানির ব্যাবসায়ীক প্রচারণা এবং ব্যবসায়িক পরিকল্পনা ডিজাইন করা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে এবং এটি প্রচুর সময়সাপেক্ষ ব্যাপারও বটে।কিন্তুু বিজনেস কনসালটেন্টরা এই পরিকল্পনাগুলি আরও দ্রুত এবং স্পষ্টভাবে সম্পাদন করতে সহায়তা করে এবং তারপরে আপনাকে সেগুলি কাজে বাস্তবায়নেও সহায়তা করবে।

৪) বিজনেস কনসালটেন্টরা আপনার কোম্পানির শক্তিশালী পয়েন্টগুলো এবং দুর্বলতাগুলি সহজেই চিহ্নিত করতে পারেন যা আপনার পক্ষে খুজে বের করা হয়তো অনেক জটিল।

৫)বিজনেস কনসালটেন্টরা আপনার টাকা ব্যয়ের ক্ষেত্রে দুর্বল খাতগুলো খুঁজে পেতে সাহায্য করতে পারে এবং সেই খাতগুলির জন্য সৃজনশীল কিছু ইফেক্টিভ সমাধান প্রদান করতে পারে।যেন ব্যায়ের পরিমান কমিয়ে বেশি লাভবান হওয়া যায়।

৬)বিজনেস কনসালটেন্টরা আপনার কাঙ্খিত ক্লায়েন্টকে নিয়ে গবেষণা করে এবং তাদের আকৃষ্ট করার জন্য একটি টার্গেটেড মার্কেটিং প্ল্যান তৈরি করে বিক্রয় বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।

৭) সময় বাঁচিয়ে অন্যান্য লাভজনক দিকে  ফোকাস করার সুযোগ পাবেন

ইন্ডাস্ট্রির ম্যানেজারদেরকেই সাধারনত কোম্পানির সবধরনের সমস্যা দেখভাল করতে হয়।যা একজন ম্যানেজারের জন্য খুবই কঠিন হয়ে যায়। এতে ম্যানেজারের ক্রিয়েটিভ এবং ইউনিক আইডিয়া বের করাটা কঠিন হয়ে পরে।  অথচ ব্যাবসার প্রোডাক্টিভিটি বাড়াতে নির্দিষ্ট কিছু সমস্যা সলভ করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু ব্যাক্তির কাজ করা উচিত।যদিও বেশিরভাগ কোম্পানিই এটা করতে পছন্দ করে না, কারণ এটি ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে। যাইহোক, একজন বিজনেস কনসালটেন্ট নিজের দক্ষতা ও সময় ব্যাবহার করে সারা বিশ্বের অন্যান্য কোম্পানির ডেটা সংগ্রহ, কোম্পানির সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নসহ ইউনিক আইডিয়া প্রদানের কাজও করেন। ব্যবসার মালিক বা ম্যানেজার এই সময়টি ব্যবসার অন্যান্য দিকগুলোতে ফোকাস করতে পারেন যা উচ্চ মুনাফায় অবদান রাখে।

৮)আপনি নতুন কিছু বিজনেস স্কীলের সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবেন

যে কোনও ব্যাবসায়িক পরামর্শদাতা বা বিজনেস কনসালটেন্টের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা হ’ল ব্যবসায়িক কৌশল, পলিসি এবং চাহিদার ভিত্তিতে ব্যবসাটির ক্রমশ উন্নতি সাধন করা।যখন একজন পরামর্শদাতা এই পদ্ধতিগুলিকে কাজে লাগান,তখন কোম্পানির একজন মালিক বা ব্যাবস্থাপক হিসেবে ব্যাবসায়ীক সিদ্ধান্তে পৌছুতে  কোন কোন প্যারামিটার তারা কীভাবে ব্যবহার করেছে সে সম্পর্কে একটি গভীর ব্যাখ্যা চাওয়া খুবই সাধারণ ব্যাপার।তার কাছ থেকে ব্যাখা জানার মাধ্যমে কোম্পানির শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিদের জন্য এটি নতুন ব্যবসায়িক পরামর্শের দক্ষতা শেখার সঠিক একটি সময়।  এই দক্ষতাগুলি পরবর্তীতে দীর্ঘমেয়াদে কাজে লাগাতে পারবেন।এমনকি  যদি ব্যাবসায়িক পরামর্শদাতা চলে যান বা তাদের চুক্তির মেয়াদ শেষও হয়ে যায়।

The post বিজনেস শুরু করতে বিজনেস কনসালটেন্টের সাথে পরামর্শ কেন প্রয়োজন? appeared first on Sarkar IT.

]]>
https://www.sarkarit.com/why-business-consultation-is-needed-to-run-business/feed/ 0