Uncategorized Archives - Sarkar IT https://www.sarkarit.com/category/uncategorized/ Web Design & Development Company in Bangladesh Thu, 05 Jan 2023 11:30:24 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.3 https://www.sarkarit.com/wp-content/uploads/2021/06/cropped-Fav-ico-32x32.png Uncategorized Archives - Sarkar IT https://www.sarkarit.com/category/uncategorized/ 32 32 ই-কমার্স ওয়েবসাইট বানাতে কেন লারাভেল ফ্রেমওয়ার্ক ব্যাবহার করবেন? কেন Laravel Ecommerce Website? https://www.sarkarit.com/%e0%a6%87%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b8-%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%9f-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87/ https://www.sarkarit.com/%e0%a6%87%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b8-%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%9f-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87/#respond Tue, 23 Aug 2022 09:40:20 +0000 https://www.sarkarit.com/?p=12812 বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে কেউ পিছিয়ে থাকতে চায় না। আমরা প্রত্যেকে চাই এগিয়ে যেতে এবং চাই অন্যদের থেকে এগিয়ে

The post ই-কমার্স ওয়েবসাইট বানাতে কেন লারাভেল ফ্রেমওয়ার্ক ব্যাবহার করবেন? কেন Laravel Ecommerce Website? appeared first on Sarkar IT.

]]>
বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে কেউ পিছিয়ে থাকতে চায় না। আমরা প্রত্যেকে চাই এগিয়ে যেতে এবং চাই অন্যদের থেকে এগিয়ে যেতে। এই এগিয়ে যাওয়ার যে চাহিদা সেটার পেছনে রয়েছে প্রতিযোগিতা। 

প্রযুক্তির এই যুগে, প্রযুক্তির মাধ্যমেই প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহন করতে হচ্ছে কারন প্রযুক্তি আমাদের জীবন কে করে দিয়েছে সহজ। তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে আমরা সহজেই মানুষের কাছাকাছি পৌছে যেতে পারি।  এই প্রতিযোগিতার সবচেয়ে বড় জায়গা হলো ব্যাবসা। বর্তমানে আমরা অনলাইনে ব্যবসার মাধ্যমে যতটা সহজে সফল হতে পারি অন্য উপায়ে ততটা সহজ নয়। আর অনলাইনে বিজনেস মানেই ই-কমার্স. সঙ্গে ফেসবুক মার্কেটিং।

ই-কমার্স কী? What is e-commerce?

ইলেকট্রনিক কমার্সকে সংক্ষেপে ই-কমার্স বলা হয় আর ই-কমার্স  বিজনেস পরিচালনার জন্য দরকার ই-কমার্স ওয়েবসাইট। আধুনিক ডেটা প্রসেসিং এবং কম্পিউটার ভিত্তিক নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা বিশেষ করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পণ্য বা সেবা মার্কেটিং, ক্রয়-বিক্রয়, গ্রহণ-বিলি করা, ব্যবসা সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি করাই হচ্ছে ই-কমার্স। ই-কমার্স ওয়েবসাইট সাধারণত অনেক ভাবেই মেক করা যায় তার মধ্যে অন্যতম বা বহুল ব্যবহৃত  হলো ওয়ার্ডপ্রেস এর Woocommerch বা WordPress দিয়ে ই-কমার্স ওয়েবসাইট, এবং Laravel দিয়ে বৃহৎ আকারে বা সফটওয়্যার সিস্টেম, ও Automation এর জন্য Laravel দিয়ে ই-কমার্স  ওয়েবসাইট বানানো হয়। 

চলুন আজ জেনে আসি, কেন লারাভেল ফ্রেমওয়ার্ক ব্যাবহার করবেন?? Let’s know today, why use Laravel framework??

১.মডার্ন পিএইচপি যেমন- কার্বন, মনোলগ, ফ্লাইসিস্টেম, ইত্যাদি ব্যবহার করে লারাভেল তৈরি করা হয়েছে যা অনেক বেশি সিকুরিটি সমৃদ্ধ।

২.লারাভেলে আর্টিসান নামক অত্যন্ত শক্তিশালী একটা কমান্ড লাইন টুল আছে, যার মাধ্যমে কোড জেনারেট, এনভায়রনমেন্ট চেইঞ্জ, টেস্টিং-সহ অসংখ্য কাজ কমান্ড লাইন থেকেই সম্পন্ন হয়।

৩.চমৎকার মাইগ্রেশন এবং সিডিং এপিআই-এর মাধ্যমে ডেটাবেজে করতে পারেন স্কিমা তৈরি, পরিবর্তন, এবং ডেটাবেজ প্রিপপুলেটেড ডেটার কাজ।

৪.Laravel এ রয়েছে খুবই সহজ, সুন্দর ও স্মরণযোগ্য সিনট্যাক্স।

৫.এছাড়া রয়েছে রাউটিং লাইব্রেরি, যা রেস্টফুল রাউটিং সাপোর্ট করে।

৬.Laravel এ পাচ্ছেন অত্যন্ত চমৎকার কোয়েরি বিল্ডার এবং অবজেক্ট রিলেশনার ম্যাপার (ORM) লাইব্রেরি। এটি একটিভ রেকর্ডস প্যাটার্ন অনুসরণ করে, যা বাই-ডিফল্ট মাইসিক্যুয়েল, সিক্যুয়ালাইট, পোস্টগ্রেস এবং মাইক্রোসফটের সিক্যুয়েল সার্ভার সাপোর্ট করে।

৭.লারাভেলে রয়েছে দারুণ কিউ সিস্টেম। এর মাধ্যমে আপনি যে কোন প্রসেসকে ব্যাকগ্রাউন্ডে পাঠিয়ে ইউজার ইন্টারঅ্যাকশন বাড়িয়ে অ্যাপ্লিকেশনকে অধিক কার্যকর করতে পারেন।

৮.E-mail পাঠাতেও লারাভেলের জনপ্রিয় সুইফটমেইলার লাইব্রেরি ব্যবহার করা হয়।

৯.লারাভেলে রয়েছে ব্লেড নামক অতুলনীয় টেমপ্লেটিং লাইব্রেরি, যার চমৎকার এক্সপ্রেসিভ সিনট্যাক্স এইচটিএমএল কোডকে পঠনযোগ্য করে।

১০.সিএসএস, জাভাস্ক্রিপ্ট ফাইলগুলোকে আরো সুন্দরভাবে ম্যানেজ করতে, Laravel এ রয়েছে ইলিক্সির নামক দারুণ একটি ইউটিলিটি টুল।

The post ই-কমার্স ওয়েবসাইট বানাতে কেন লারাভেল ফ্রেমওয়ার্ক ব্যাবহার করবেন? কেন Laravel Ecommerce Website? appeared first on Sarkar IT.

]]>
https://www.sarkarit.com/%e0%a6%87%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b8-%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%9f-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87/feed/ 0
কিভাবে একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট বানাবেন? দরকার কি? https://www.sarkarit.com/%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%87-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b8-%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87/ https://www.sarkarit.com/%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%87-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b8-%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87/#respond Sat, 13 Aug 2022 09:48:48 +0000 https://www.sarkarit.com/?p=12808 সারা বিশ্বে প্রায় 206 কোটি মানুষ আজকাল অনলাইনে পণ্য কেনার জন্য তাদের অর্থ বিনিয়োগ করছে। আজকের সময়ে, আপনি যেকোনো ব্যক্তির

The post কিভাবে একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট বানাবেন? দরকার কি? appeared first on Sarkar IT.

]]>
সারা বিশ্বে প্রায় 206 কোটি মানুষ আজকাল অনলাইনে পণ্য কেনার জন্য তাদের অর্থ বিনিয়োগ করছে। আজকের সময়ে, আপনি যেকোনো ব্যক্তির স্মার্টফোন, ট্যাবলেট এবং ল্যাপটপে অ্যাপ আকারে অনেক ই-কমার্স সাইট দেখতে পাবেন।

ই-কমার্স সাইটগুলি Daraz, Ajker Deal, Chaldal, Amazon, Alibaba বিভিন্ন নামে রয়েছে। আমরা সকলেই জানি যে ইন্টারনেটে অনেক ইকমার্স সাইট রয়েছে যেখান থেকে আমরা আমাদের পছন্দের জিনিসগুলি ভাল দামে পেয়ে থাকি। কিন্তু এই ই-কমার্স সাইট আসলে কি?

ই-কমার্স সাইট হল একটি মাধ্যম, যার কারণে আজ লক্ষ লক্ষ মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছাড়াই ভাল দামে তাদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনছে, তাও কোনো ঝামেলা ছাড়াই এবং নিরাপদে। ই-কমার্সের আসল অর্থ হল ইন্টারনেটের মাধ্যমে পণ্য বা জিনিস ক্রয় বিক্রয় করা।

How to Open a Ecommerch Website?
কিভাবে ইকমার্স ওয়েবসাইট বানাবেন, ই-কমার্সকে অনলাইন ব্যবসাও বলা হয় যা একজন ব্যক্তি চালান। ই-কমার্স দুটি শব্দ দ্বারা গঠিত যেমন ইলেকট্রনিক্স এবং কমার্স অর্থাৎ ব্যবসা। আপনি যখন ইলেকট্রনিক্স মিডিয়াম এর মাধ্যমে কোন ব্যবসা করেন তখন তাকে ই কমার্স বলে।

ই-কমার্সও এমন একটি ব্যবসা যার মাধ্যমে আপনি প্রচুর অর্থ উপার্জন করতে পারেন। ইন্টারনেট জগতে এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করা এত সহজ নয় এবং এটি সবার জন্য নয়। এটি তৈরি করতে, এটি সম্পর্কে সম্পূর্ণ জ্ঞান থাকা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করতে কী কী জিনিস প্রয়োজন?
আজকে এই আর্টিকেলে আমরা জানব যে একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট করতে আমাদের কি কি জিনিস দরকার।

1. টাকা: যে কোন ধরনের ব্যবসা শুরু করতে আমাদের টাকার প্রয়োজন। একইভাবে, ই-কমার্স ব্যবসা শুরু করার আগে আপনার কাছে পর্যাপ্ত অর্থ থাকা উচিত কারণ অর্থ বিনিয়োগ ছাড়া কোনও ব্যবসাই সম্পূর্ণ করা যায় না। একটি অনলাইন ব্যবসা শুরু করতে, একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে আপনার অর্থ খরচ হবে।

আপনার ই-কমার্সে যে পণ্যগুলো থাকবে সেগুলোতেও টাকা লাগবে। এমন অনেক জিনিস রয়েছে যেখানে আপনাকে অর্থ বিনিয়োগ করতে হতে পারে। অতএব, ব্যবসা শুরু করার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল টাকা, যদি আপনার কাছে পর্যাপ্ত অর্থ থাকে, যার সাহায্যে আপনি নিজের ই-কমার্স সাইট খুলতে পারেন, তবেই এতে অর্থ বিনিয়োগ করুন, অন্যথায় নয়।

2. পরিকল্পনা: আপনার ব্যবসা শুরু করার জন্য অনেক পরিকল্পনা আছে। পরিকল্পনা ছাড়া ব্যবসায়, আপনি পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে ধারণা পেতে সক্ষম হবেন না, আপনি মনোনিবেশ করতে পারবেন না এবং পরবর্তীতে আপনাকে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হতে পারে।

3. ডোমেন নাম – ডোমেন নাম
ইন্টারনেটে একটি ই-কমার্স সাইট শুরু করতে , আপনার www.daraz.com এর মতো একটি ডোমেন নাম প্রয়োজন৷ এটি অনলাইন জগতে একটি ঠিকানা হিসেবে কাজ করে, যার মাধ্যমে ক্রেতারা আপনার ওয়েবসাইট খুঁজে পেতে পারেন।

বেশিরভাগ অনলাইন ব্যবসার ডোমেইন নাম হয় .com এ বন্ধ বা .net দিয়ে বন্ধ। আপনি যে নামে আপনার ই-কমার্স সাইটের নাম রাখতে চান আপনার ডোমেইন নামটি একই নামের সাথে হওয়া উচিত।

4. ওয়েব হোস্টিংঃ আপনার ওয়েবসাইটের জন্য আপনার ওয়েব হোস্টিং পরিষেবা দরকার যাতে লোকেরা ইন্টারনেটে আপনার ওয়েবসাইট দেখতে সক্ষম হয়।

এবং যখন একজন ব্যক্তি তার ওয়েব ব্রাউজারে আপনার ওয়েবসাইটের ডোমেইন নাম লেখার জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার করে, তখন এই ওয়েব হোস্টিং আপনার ওয়েবসাইটের সমস্ত ফাইল এবং ডেটা তার ব্রাউজারে পাঠাবে যাতে সেই ব্যক্তি সহজেই আপনার ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করতে সক্ষম হবে।

আপনি যদি হোস্টিং কেনার ক্ষেত্রে 50% ডিসকাউন্ট অফার চান, তাহলে আপনি এই কুপনটি ব্যবহার করতে পারেন যাতে আপনি 50% ডিসকাউন্টের সুবিধা পাবেন। আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেসে আপনার ব্লগ শুরু করতে চান তবে এটি আপনার জন্য একটি ভাল সুযোগ।

5. ওয়েবসাইট
আপনার ব্যবসার জন্য যেটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তা হল আপনার ওয়েবসাইট। আপনার যদি ওয়েবসাইট তৈরি করতে হয় সে সম্পর্কে সম্পূর্ণ জ্ঞান থাকে তবে আপনি আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন এবং যদি আপনার এটি সম্পর্কে জ্ঞান না থাকে তবে আপনি টাকা দিয়ে আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন। ওয়েব ডিজাইনার পারেন। আপনার নিজের ওয়েবসাইটটি কেমন হওয়া উচিত তা নিয়ে আপনাকে ভাবতে হবে।

এবং আপনার ওয়েবসাইটটি কিসের জন্য তৈরি করা হয়েছে তা সর্বদা দেখানো উচিত, যেমন আপনি যদি একটি ই-কমার্স সাইট তৈরি করেন, তাহলে আপনি যে সমস্ত পণ্য বিক্রি করতে চান তা এটিতে দৃশ্যমান হওয়া উচিত।

আপনার ওয়েবসাইটের ডিজাইনটি এমন হওয়া উচিত যাতে লোকেরা আপনার ওয়েবসাইটের প্রতি আকৃষ্ট হয়, এটি আপনাকে আনন্দ দেবে এবং আপনি প্রচুর লাভও পাবেন।

6. শপিং কার্ট সফটওয়্যার
আপনার ই-কমার্স সাইটের মূল উদ্দেশ্য হল আপনার গ্রাহকদের কাছে পণ্য বিক্রি করা এবং আপনার গ্রাহকদের কাছে পণ্য বিক্রি করার জন্য আপনার একটি শপিং কার্ট সফটওয়্যার লাগবে।

এই সফ্টওয়্যারটি আপনার ক্রেতাকে আপনার ওয়েবসাইটে উপস্থিত পণ্যগুলি দেখার সুযোগ দেয় এবং তার পছন্দের জিনিসগুলি বেছে নিতে এবং কিনতে পারে৷

শপিং কার্ট সফ্টওয়্যার আপনার গ্রাহকদের তাদের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে নিরাপদে তাদের প্রিয় আইটেম কিনতে অনুমতি দেয়। এই পরিষেবাটি আপনার ক্রেডিট কার্ডের বিশদ বিবরণ এবং আপনার অর্ডার ডেটা অন্য লোকেদের চোখ থেকে সুরক্ষিত রাখে।

7. বণিক পরিষেবা প্রদানকারী
একটি অনলাইন ব্যবসা কখনই তার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নগদ অর্থপ্রদান গ্রহণ করতে পারে না, এটির জন্য একজন বণিক পরিষেবা প্রদানকারীর প্রয়োজন যার কাজ ক্রেডিট এবং ডেবিট কার্ড সম্পর্কিত জিনিসগুলি পরিচালনা করা।

এই পরিষেবা ব্যবসা গ্রাহক এবং ক্রেডিট কার্ড কোম্পানির মধ্যে একটি যোগাযোগ বজায় রাখে। গ্রাহকদের কাছ থেকে বেতন প্রক্রিয়া করার পরে, এটি তাদের প্রদত্ত ক্রেডিট কার্ড অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা নেয় এবং এটি ব্যবসায়ীর অ্যাকাউন্টে পাঠায়।

মার্চেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার টাকা পাওয়ার পর তার কমিশনের টাকা কেটে নিয়ে বাকি টাকা ওয়েবসাইটের মালিককে তার অ্যাকাউন্টে পাঠায়। ই-কমার্স ওয়েবসাইটের জন্য বণিক পরিষেবা প্রদানকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, এটি ছাড়া বণিকের কাছে তার গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার অন্য কোন উপায় নেই।

একটি ইকমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করা খুব কঠিন কাজ নয়, যদি আপনার কাছে এটি সম্পর্কিত সম্পূর্ণ তথ্য এবং উপরে উল্লেখিত সমস্ত জিনিস থাকে তবে আপনি সহজেই আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন এবং ভাল আয় করতে পারেন।

আমি আশা করি আপনি এই নিবন্ধটি থেকে কিছু জ্ঞান অর্জন করেছেন, যা ভবিষ্যতে আপনাকে এই নিবন্ধ সম্পর্কিত তথ্য দিয়ে সাহায্য করতে পারে।

ই-কমার্স ওয়েবসাইট সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য
আমি আশা করি আপনি কিভাবে একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি করতে হয় এই নিবন্ধটি পছন্দ করবেন ? ভালো লেগেছে নিশ্চয়ই। পাঠকদের কাছে ই-কমার্স ওয়েবসাইট সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য দেওয়ার জন্য আমার সর্বদা প্রচেষ্টা ছিল, যাতে তাদের সেই নিবন্ধের প্রসঙ্গে অন্য সাইট বা ইন্টারনেট অনুসন্ধান করতে না হয়।

এতে তাদের সময়ও বাঁচবে এবং তারা সব তথ্য এক জায়গায় পেয়ে যাবে। আপনার যদি এই নিবন্ধটি সম্পর্কে কোন সন্দেহ থাকে বা আপনি চান যে এটিতে কিছু উন্নতি করা উচিত, তবে আপনি এটির জন্য কম মন্তব্য লিখতে পারেন।

The post কিভাবে একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট বানাবেন? দরকার কি? appeared first on Sarkar IT.

]]>
https://www.sarkarit.com/%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%87-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b8-%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87/feed/ 0
অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে আয় করা যায় কিভাবে? https://www.sarkarit.com/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%89%e0%a6%9c-%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-2/ https://www.sarkarit.com/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%89%e0%a6%9c-%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-2/#respond Tue, 05 Apr 2022 09:23:55 +0000 https://www.sarkarit.com/?p=9815 অনলাইন এ হাজারো ইনকাম করার পদ্ধতির মধ্যে একটি হলো অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে আয় করা আজকে কথা বলবো ৫ ধরনের

The post অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে আয় করা যায় কিভাবে? appeared first on Sarkar IT.

]]>
অনলাইন এ হাজারো ইনকাম করার পদ্ধতির মধ্যে একটি হলো অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে আয় করা আজকে কথা বলবো ৫ ধরনের নিউজ পোর্টাল থেকে আয় এর উৎস।

১- লোকাল স্পনসার এডঃ বিভিন্ন ধরনের বড় বড় মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি রয়েছে কিংবা ছোট ছোট কোম্পানি রয়েছে যারা নিউজ এর জন্য স্পনসার করে থাকে। এর জন্য রয়েছে দুটি শর্ত একটি হলো আপনার নিউজ পোর্টাল টিতে পার ডে ১ লাখ এর উপর ভিজিট থাকতে হবে। আর আপনার পোর্টাল টির ভালো পরিচিতি থাকতে হবে।জযদি শর্ত গুলো পুরন হয় তাহলে এই মাল্টিন্যাশলান কোম্পানি গুলো নিউজ এর জন্য ৫০০০-১লাখ পর্যন্ত পেমেন্ট করে থাকে।

২- গুগল এডসেন্সঃ গুগল এডসেন্স এখন নিউজ পোর্টাল এর জন্য অনেক বিখ্যাত একটা সাইট। এখানে ভালো মত কাজ করে হাজার হাজার টাকা ইনকাম করা যায়। এটা বেসিকালি একটা ব্লগিং সাইট

৩- ইন্সট্যান্ট আর্টিকেলঃ ইন্সট্যান্ট আর্টিকেল এ এখন ব্লগিং করে আপনার ব্লগ এ যদি ১০০০থেকে ৫০০০ ভিজিটর থাকে তাহলে প্রতিদিন ১-২ ডলার পর্যন্ত আয় করা সম্ভব। এছাড়া ফেসবুক ইন্সট্যান্ট থেকে ফেসবুক পেজ এর মাধ্যমে ও আয় করা সম্ভব।

৪- অ্যাফ্লিয়েট মার্কেটিংঃ অ্যাফ্লিয়েট মার্কেটিং টা হলো মূলত যে আমাদের নিজস্ব কোনো প্রডাক্ট থাকবেনা আমরা যেকোনো ব্র‍্যান্ড এর প্রডাক্ট এর প্রোমোশন করবো।আর আমাদের ইউজ করা লিংক থেকে যখন কোনো ব্যাক্তি প্রডাক্ট টি ক্রয় করবে তখন আমরা একটা কমিশন পাবো।এভাবেই অ্যাফ্লিয়েট মার্কেটিং কাজ করে থাকে। ক্লিক ব্যাংক হলো সব থেকে সহজ অ্যাফ্লিয়েট মার্কেটিং সাইট যেখানে শুধুমাত্র একটা একাউন্ট খোলার মাধ্যমে অ্যাফ্লিয়েট মার্কেটিং করা যায়। কিন্তু একটা খারাপ দিক হলো বাংলাদেশ থেকে এখানে একাউন্ট খুলা যায়না বাইরের কাউকে দিয়ে একাউন্ট খুলে আপনি এখানে কাজ করতে পারেন। এটা হলো অ্যাফ্লিয়েট মার্কেটিং এর বেসিক একটা আয় করার ধারনা।

৫.ইয়াহু এডভার্টাইজমেন্ট- ইয়াহু এডস থেকে আপনি লিংক শেয়ার করে বা অনলাইন ব্লগিং করে সহজেই আয় করতে পারেন খুব ভালো একটা এমাউন্ট।এখানে আপনি ব্লগিং করবেন মূলত। এছাড়াও আরো ছোট ছোট কিছু সাইট রয়েছে যেমন টাবোলা, রেভ কন্টেন্ট এগুলোর কাজ শিখে কাজ করলেও আপনি নিউজ পোর্টাল এর মাধ্যমে আয় এর পথ খুলে দিতে পারেন।

The post অনলাইন নিউজ পোর্টাল থেকে আয় করা যায় কিভাবে? appeared first on Sarkar IT.

]]>
https://www.sarkarit.com/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%a8-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%89%e0%a6%9c-%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-2/feed/ 0
বাংলাদেশে ই-কমার্স ব্যবসা শুরুর আগের গাইডলাইন সমূহ https://www.sarkarit.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%87-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b8-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ac%e0%a6%b8/ https://www.sarkarit.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%87-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b8-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ac%e0%a6%b8/#respond Wed, 19 Jan 2022 09:56:59 +0000 https://www.sarkarit.com/?p=9490 বাংলাদেশে ই কমার্স ব্যবসা শুরু করার জন্য পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন সম্পর্কে যারা জানতে আগ্রহী, তাদের জন্য আজকের এই লেখাটি।এখানে আলোচনা করবো

The post বাংলাদেশে ই-কমার্স ব্যবসা শুরুর আগের গাইডলাইন সমূহ appeared first on Sarkar IT.

]]>
বাংলাদেশে ই কমার্স ব্যবসা শুরু করার জন্য পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন সম্পর্কে যারা জানতে আগ্রহী, তাদের জন্য আজকের এই লেখাটি।এখানে আলোচনা করবো প্রথম পর্যায়ে যেসব দিকনির্দেশনা অনুসরণ করে ই কমার্স ব্যাবসা শুরু করবেন।

আপনার মাথায় কি ই-কমার্স ব্যবসা কোন প্রক্রিয়ায় শুরু করবেন এবং কিজন্য করবেন এই বিষয়গুলি ঘুরপাক খেতে থাকে? আপনি যেই ব্যবসাটাই করুন না কেন প্রতিটা ব্যবসার ক্ষেত্রে একটি কথা থাকে আর সেটি হল “রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট”। একটা সত্য কথা হলো, একজন উদ্যোক্তার জীবনে যেমন সফলতার অনেক গল্প থাকবে তেমনি অনেক অসফলতার গল্পও থাকবে।এটাই স্বাভাবিক।

কিন্তু আপনি যদি ব্যবসা শুরুর আগে ভালোমতো রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট করতে না পারেন এবং ব্যবসা শুরু করার পরেও ব্যবসা চলাকালীন সময়ে আপনি সঠিকভাবে এই রিসার্চকে প্রয়োগ করতে না পারেন, তাহলে আপনার ব্যবসায় সফল হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।আচ্ছা, তাহলে চলুন জেনে নেওয়া নিই বাংলাদেশে ই-কমার্স ব্যবসার শুরুর গাইডলাইনঃ

১।মানসিক প্রস্তুতি

আপনি ব্যাবসা করুন বা অন্য যে কোনো কাজই করতে চান তাহলে, আপনার মানসিক প্রস্তুতি সবার আগে শক্ত করতে হবে। কারন আপনার ব্যবসা বা কাজের মধ্যে হাজার ধরনের বাধা বিপত্তি আসতেই পারে। এজন্য মানসিকভাবে আপনাকে প্রস্তুত থাকতে হবে। তাই কোনো বড় কাজ শুরু করতে হলে অবশ্যই মানসিকভাবে প্রস্তুত হয়ে নিতে হবে সেই কাজটির জন্য।

২।নামকরণ :
আপনার ই-কমার্স ব্যবসায় সফলতা পেতে হলে প্রতিষ্ঠানের নামকরণ টা অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যাপার। আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম খুবই আকর্ষণীয় হতে হবে যাতে মানুষ খুব সহজেই আপনার ব্যবসাটি খুঁজে পায়। এই জন্য উচ্চারণে সহজ ও ইউনিক একটি নাম দিতে হবে আপনার ব্যবসার। যাতে মানুষ সেটা মনে রাখতে পারে ও খুব সহজে নামটি বলতে পারে।

ডোমেইনটি ফাঁকা আছে কিনা এই বিষয়টি নাম সিলেক্ট করার সময় অবশ্যই আপনাকে খুঁজে নিতে হবে। আর সেই নামটি যদি ফাঁকা না থাকে তাহলে ওই নামের সাথে মিল রেখে অন্য একটি ইউনিক নাম আপনাকে খুঁজে নিতে হবে।গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নামটি অবশ্যই আপনার প্রোডাক্টের সাথে সম্পর্কৃত হতে হবে। আপনার ই- কমার্স প্রতিষ্ঠানের নামটি যত ছোট হবে ততই আপনার ব্যবসার জন্য তা ভালো হবে।

৩।আইনি কিছু কার্যাবলী:
আপনার ই-কমার্স বিজনেসটার জন্য অবশ্যই ট্রেড লাইসেন্স এবং ব্যবসায়িক বৈধতার সার্টিফিকেট লাগবে। অনেক কাজের ক্ষেত্রে আপনার এটা প্রয়োজন হবে। যেমন ধরুন আপনি অনলাইনের মাধ্যমে পেমেন্ট নিতে গেলে এটি লাগবে। এছাড়াও আরো বিভিন্ন কাজের ক্ষেত্রে আপনার ব্যবসার প্রমাণ দিতে হতে পারে।তখন এসব কাগজপত্রগুলো অবশ্যই লাগবে।

৪।প্রোডাক্ট সিলেক্ট করা:
আপনার ই কমার্স ব্যবসায় সফল হতে হলে মানুষের চাহিদা মাফিক, সঠিক প্রোডাক্টটি নির্বাচন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই আপনাকে অবশ্যই কাস্টমারদের ডিমান্ড এবং প্রোডাক্ট এর সহজলভ্যতার দিক চিন্তাভাবনা করে প্রোডাক্টগুলো নির্বাচন করতে হবে।বর্তমানে আমাদের দেশে অনেক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে।তাই আপনার প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কিছুটা কঠিন ও চ্যালেন্জিং হবে। আর তাই, আপনাকে এমন কিছু প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ শুরু করতে হবে যেন মানুষ শুরুতেই প্রোডাক্টটি কিনতে আগ্রহী হয়। সাধারণত প্রোডাক্টের অনেক ক্যাটাগরি থাকে।আপনি সেখান থেকে যেকোনো একটি ক্যাটাগরি নির্বাচনক করুন। প্রথমদিকেই আপনি অনেক ধরনের প্রোডাক্ট নিয়ে ব্যবসা শুরু করতে যাবেন না।আপনাকে প্রথম অবস্থায় অল্পকিছু প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করে আগে মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে হবে।তাই এই ক্ষেত্রে আপনাকে খুবই ভালভাবে রিসার্চ করতে হবে যে কোন প্রোডাক্টের চাহিদা অনেক বেশি কিন্তু সাপ্লাই অনেক কম। আপনাকে সেই ধরনের প্রোডাক্টগুলো নিয়ে কাজ শুরু করতে হবে।

৫।প্রোডাক্ট সোর্স:
আপনি কোন ধরনের প্রোডাক্ট সিলেক্ট করছেন তার উপর ভিত্তি করে প্রোডাক্ট এর সোর্স খুঁজতে হবে। আর এর জন্য আপনাকে সবথেকে বেশি খেয়াল রাখতে হবে প্রোডাক্ট এর দামের প্রতি। আপনি যত কম খরচে আপনার প্রোডাক্ট গুলো সংগ্রহ করতে পারবেন আপনি তত বেশি বেনিফিটেড হবেন।আপনি কম দামে কেনা পন্যটা কম দামে বিক্রি করতে পারবেন, এতে আপনার বিক্রি বাড়বে। আপনাকে যদি দেশের সকল উন্নত সব ই কমার্স প্রতিষ্ঠান সাথে তালে তাল মিলিয়ে টিকে থাকতে হয় তাহলে অবশ্যই প্রোডাক্ট সংগ্রহের ব্যাপারে মনোযোগী হতে হবে। একদম মূল সোর্স থেকে প্রোডাক্ট সংগ্রহ করুন।

৬।ডেলিভারি:
সঠিক সময়ে প্রডাক্ট ডেলিভারি হলে আপনারা খুব সহজেই কাস্টমারের মন জয় করতে পারবেন। কাস্টমার যেন খুব দ্রুত এবং অক্ষতভাবে প্রডাক্টটি হাতে পায় সেদিকে ফোকাস করতে হবে সবার আগে। যদি এই কাজটাতে ব্যর্থ হন তাহলে রিটার্ন কাস্টমার পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে এবং নিউ কাস্টমার যারা রয়েছে তাদের সংখ্যাও ধীরে ধীরে কমতে থাকবে। আর এই ক্ষেত্রেও আপনাকে দেখতে হবে যেন সর্বনিম্ন খরচে উন্নত এবং বেস্ট সার্ভিস তাদের দেওয়া যায়। আর এর জন্য আপনি কুরিয়ার সার্ভিসের কোম্পানিগুলোর শরনাপন্ন হতে পারেন। অনেক কুরিয়ার প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা অন্যের পণ্য ডেলিভারি করে থাকে।আপনাকে আরো গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ করতে হবে। সেটি হলো অর্ডার লোকেশন নোট।এটির মাধ্যমে আপনি বুঝতে পারবেন কোন এলাকায় বা লোকেশনে আপনার পন্যের চাহিদা বেশি।এটা আপনার ব্যাবসায়িক সিদ্ধান্ত গ্রহনে সাহায্য করবে।

৭।পেমেন্ট সিস্টেম :
আপনার প্রোডাক্ট ক্রয়ের পর কাস্টমাররা কোন মাধ্যমে পেমেন্ট করবে সেটার ব্যবস্থা আপনাকে করে দিতে হবে। বর্তমানে অনেক অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেম বিদ্যমান। যেমন নগদ,রকেট বিকাশ এবং ব্যাংক সহ আরো অনেক সিস্টেম।এদের মধ্য থেকে আপনাকে একাধিক অপশন সিলেক্ট করতে হবে যার মাধ্যমে কাস্টমার খুব সহজেই আপনার ওয়েবসাইট থেকে পণ্য কেনার মাধ্যমে পেমেন্ট করে দিতে পারবে।

৮।অনলাইন মার্কেটিং:
অনলাইন মার্কেটিং বলতে এখানে বুঝানো হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া এবং ওয়েবসাইট কেন্দ্রীক পন্যের প্রচারনা। অনলাইন জগতের সবগুলো ওয়েতে আপনার পন্যের প্রচারনা চালানো উচিত।কথায় আছে প্রচারই প্রসার। আপনার টুইটার, ইনস্টাগ্রাম,ফেসবুক, ইউটিউব সহ সব ধরনের অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে পন্যের প্রচারনার জন্য।আপনার অন্তত একটি ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইট থাকা জরুরি।কারণ,এই দুই পদ্ধতিতে পন্যের প্রচারনা বেশি ভালোভাবে করতে পারবেন।আপনার ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের নামে একটি ফেসবুক পেজ খুলে ফেলুন এবং আপনার প্রোডাক্টগুলো সেই ফেসবুক পেজে নিয়মিত আপলোড করতে থাকুন। তারপর আপনি নিয়মিত এর কিছু ভিডিও বানাতে থাকুন এবং ফেসবুক পেজ, ইউটিউব চ্যানেলে ও ওয়েবসাইটে সেগুলো আপলোড করতে থাকুন। আপনি চাইলে আপনার ফেসবুক পেজের ভিডিও বা আপনার ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিও গুলো খুব তাড়াতাড়ি মানুষের কাছে পৌঁছানোর জন্য সেগুলো বুষ্টও করাতে পারেন।তবে এই ক্ষেত্রে একটা কথা না বললেই নয়, সেটা হচ্ছে শুধু বুষ্ট করলেই হবে না কোয়ালিটি সম্পন্ন বুস্ট করতে হবে। এর জন্য আপনাকে সুন্দর করে ব্যানার ডিজাইন করতে হবে, সুন্দর করে আকর্ষণীয় কনটেন্ট লিখতে হবে এবং আপনার টার্গেট অডিয়েন্স রিসার্চ করে বের করে তাদেরকে টার্গেট করে বুষ্ট করতে পারেন।

তবে ব্যবসার পাশাপাশি এসব কাজ করা খুব ঝামেলার মনে হতে পারে তাই আপনি এসব কাজগুলো একজন প্রোভাইডার এর নিকট হস্তান্তর করতে পারেন। সে এসব দেখাশোনা করবে।

৯।আপনাকে টিম বিল্ড করতে হবে:
ব্যবসার প্রথম প্রথম আপনার কাস্টমার কম থাকবে। তখন আপনি নিজে একা একাই সব কাজগুলো সব করতে পারবেন। কিন্তু আপনার ব্যবসার পরিধি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আপনার একার পক্ষে এসব কাজগুলো করা সম্ভব হবে না।

আর এজন্য আপনাকে অবশ্যই দক্ষ একটি টিম বিল্ড করতে হবে। কেননা আপনি একা একা কাজ করে যতদূর না যেতে পারবেন তার চেয়ে বেশি উন্নতি করতে পারবেন একটি সফল টিম বিল্ডের মাধ্যমে। আর এজন্য আপনি বিশ্বস্ত সব সহযোদ্ধাদের খুঁজে বের করে তাদেরকে আপনার টিম মেম্বার বানিয়ে নিন।

পরিশেষে, বর্তমানে ই-কমার্স ব্যবসার পরিধি ক্রমচ বেড়েই চলেছে। প্রতিযোগিতার এই বিশ্বে ই-কমার্স ব্যবসায় সফল হতে হলে অবশ্যই আপনার ব্যবসাকে সবসময় আপডেট রাখতে হবে।

আমাদের আর্টিকেলটি যারা মনোযোগ সহকারে সম্পূর্ণ পড়েছেন তারা অবশ্যই বুঝতে পেরেছেন বাংলাদেশে ই-কমার্স ব্যবসার শুরুর কিছু গাইডলাইন সম্পর্কে। যারা বুঝতে পারেননি তারা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। ধন্যবাদ।

The post বাংলাদেশে ই-কমার্স ব্যবসা শুরুর আগের গাইডলাইন সমূহ appeared first on Sarkar IT.

]]>
https://www.sarkarit.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%87-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b8-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ac%e0%a6%b8/feed/ 0
ফেসবুকের মাধ্যমে যেভাবে অনলাইন ব্যাবসা পরিচালনা ও প্রচার করবেন https://www.sarkarit.com/%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87/ https://www.sarkarit.com/%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87/#respond Wed, 19 Jan 2022 09:54:48 +0000 https://www.sarkarit.com/?p=9488 ফেসবুকের মাধ্যমে নিজের একটি  ব্যবসা শুরু  করার কথা ভাবছেন? এবং ফেসবুকেই আপনার ব্যবসার প্রচার প্রচারনার কাজ করতে চাচ্ছেন? তাহলে ফেসবুক

The post ফেসবুকের মাধ্যমে যেভাবে অনলাইন ব্যাবসা পরিচালনা ও প্রচার করবেন appeared first on Sarkar IT.

]]>
ফেসবুকের মাধ্যমে নিজের একটি  ব্যবসা শুরু  করার কথা ভাবছেন? এবং ফেসবুকেই আপনার ব্যবসার প্রচার প্রচারনার কাজ করতে চাচ্ছেন? তাহলে ফেসবুক মাধ্যমে ব্যাবসা পরিচালনা সম্পর্কিত এই কন্টেন্টটি আপনার জন্যই ! এখানে আপনি পাবেন ফেসবুকে আপনার বিজনেস  পরিচালনা করার কৌশল ও এ বিষয়ক সকল পরামর্শ। ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে এবং পণ্যের বিক্রয় বাড়ানোর জন্য ফেসবুকে ব্যবসা করার নিয়ম গুলি জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

কিভাবে ফেসবুক ব্যাবহার করে সফলভাবে ব্যাবসা পরিচালনা ও প্রচারনা করবেন?

আপনার ফেইসবুক একাউন্ট বা পেইজের প্রচারের মাধ্যমে আপনি যত বেশি  সংখ্যক লোকের কাছে পৌঁছাতে পারবেন, ঠিক তত বেশি পণ্য আপনি সেল করতে পারবেন। তাই, কীভাবে বিনামূল্যে ফেসবুকে ব্যবসার প্রচারনার করবেন, আসুন সেই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো জেনে নিই।

 

১।তথ্যপূর্ন একটি ফেইসবুক পেইজ ওপেন করুনঃ

প্রথমে আপনাকে বিজনেস পরিচালনার জন্য একটি পেজ খুলতে হবে।খেয়াল রাখবেন,আপনার ফেসবুক বিজনেস পেইজটি যেন ব্যাবসার যাবতীয় তথ্য দিয়ে একদম পূর্ন অবস্থায় থাকে।ব্যাবসার

ফেইসবুক পেইজে আপনার ব্যবসা সম্পর্কৃত প্রয়োজনীয় সবগুলো তথ্য দিতে একদমই দ্বিধা করবেন না।সকল তথ্য ইনক্লুড করা থাকলে,  গ্রাহকরা গুগলে স্থানীয় বিজনেস  সার্চ দিয়ে  বা স্থানীয় ব্র্যান্ডের কোনো প্রতিষ্ঠানের সম্পর্কে জানতে ফেসবুকে সার্চ করে, সেক্ষেত্রে আপনার পেইজটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সার্চ তালিকায় টপলিস্টে থাকবে।আপনার থেকে প্রোডাক্ট ক্রয় কিংবা সেবা নেওয়ার জন্য ক্রেতাগন আপনার পেইজে যোগাযোগের জন্য কোন কোন মাধ্যম উল্লেখ আছে  তার সন্ধান করবে।মোবাইল নম্বর, ইমেল বা ওয়েবসাইটের মতো বিভিন্ন ধরণের যোগাযোগের মাধ্যম উল্লেখ রাখুন যাতে তারা তাদের কাছে সহজ বা ইজি মনে হওয়া মাধ্যমটি ব্যবহার করে জটিলতা ছাড়াই আপনার সাথে কন্টাক্ট করতে পারে।আরেকটি।জরুরী কথা হলো, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কাস্টমার মেসেজের উত্তর(রিপ্লাই) দেওয়ার ট্রাই করুন।

 

২।অাপনার বিজনেস পেইজে অফিসিয়াল চমৎকার একটি ছবি ব্যবহার করুনঃ

ফেইসবুক পেজের প্রচারনা চালানোর পর  বিভিন্ন লিংক থেকে অনেক ফেসবুক ইউজারগন আগ্রহের সাথে আপনার বিজনেস পেইজটি ভিজিট করতে বা দেখতে আসে,তাই তার পূর্বেই আপনাকে প্রস্তুত থাকতে  হবে একটি অফিসিয়াল কভার ফটো নিয়ে! যেন ভিউয়াররা প্রোফাইল পিক দেখেই আরো জানতে আগ্রহী হয়ে ওঠে।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু কারণে এই কভার ফটো ফেসবুক বিজনেস পেইজ এর খুব ইউনিক বৈশিষ্ট্য। উদাহরণস্বরূপ, এটিই আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রথম ফ্রি ও প্রকাশমান জিনিস যা লোকেরা আপনার পেইজে ঢুকলেই দেখতে পাবে। আপনি বিনা পয়সায় ভিজিটরদেরকে আকৃষ্ট করতে এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেন। তাই যতটা সম্ভব দায়িত্ব নিয়ে সৃজনশীল ও আকর্ষী কভার ফটো ব্যবহার করুন। খেয়াল রাখবেন প্রোফাইল পিকচারে যেন আপনার ব্যবসায়ের গল্পটি সহজভাবে ফুটে উঠে।

 

৩।সঠিক পণ্য বা সেবা নির্বাচন করুনঃ

ব্যবসা শুরু করার পূর্বে সবার প্রথমে আপনাকে দেখতে হবে অনলাইনে কি ধরনের পণ্যের চাহিদা ও বাজার রয়েছে। এবং সেগুলোতে প্রতিযোগিতা কেমন। সেই বিষয়ে সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম ধারনা আপনার রাখতেই হবে। এটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, কারণ বাজার পরিস্থিতি না বুঝে আন্দাজে ব্যবসায় ইনভেস্ট করে বসলে লাভের চেয়ে লস হাওয়ায় সম্ভাবনাই বেশি। আপনি যদি কোনো একটা  কাজে একটু বেশি দক্ষ হয়ে থাকেন, তাহলে সেই কাজ দিয়েও সার্ভিস দিতে পারেন আপনার কাস্টমারদেরকে। কিন্তু অনলাইনে সেই পণ্য অথবা কাজের চাহিদা থাকলে তবেই আপনার সফল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।কোন প্রোডাক্ট নিয়ে ব্যবসা করবেন, সেটা নির্ধারণ করার পর কোন জিনিসের দাম কিরকম হবে সেটাও প্রতিযোগী পেইজগুলোর সাথে সামঞ্জস্য রেখে নির্ধারণ করুন।

৪। পণ্যের প্রচারে বেস্ট ছবিগুলো ব্যাবহার করুনঃ

অনলাইনে ক্রেতারা কোনো পণ্যই সরাসরি দেখে কিনে না, তারা ছবি দেখেই কিনেন। তাই আপনার পণ্যের ছবিটা খুবই ভালো রেজ্যুলেশন সম্পন্ন ও আকর্ষণীয় হতে হবে।তবে আমি আবার এটা বলতে চাইনি যে, আপনি এডিট করে করে পণ্যের আসল চেহারাই পাল্টে দিবেন! বলতে চেয়েছি ছবিগুলো যেন সুন্দর হয়। ছবির সাথে বাস্তবের সামঞ্জস্য  রেখে, পর্যাপ্ত লাইটিংয়ে, সুন্দর ব্যাকগ্রাউন্ড এ মানসম্পন্ন ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলবেন। ছবি আকর্ষণীয় হবে এটা ঠিক, তবে অনেক বেশি পরিমানে অতিরঞ্জিত নয়। পণ্যের মানটা যেন ছবি দেখেই ধারণা করা যায়।

 

৫।প্রমোশন পোস্ট বা প্রমোশনাল কন্টেন্ট এর লেখার মান বজায় রাখুনঃ

ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য প্রতিটি পোস্টে আপনার পণ্যগুলির ভাল মানের বিবরণ দিন।  প্রত্যেকটি পণ্যে  আপনার প্রচেষ্টা,পরিশ্রম ও দায়বদ্ধতা দৃশ্যমান হওয়া উচিত।

লেখার ভঙ্গি যথাসম্ভব সহজ ও সাবলীল রাখুন।আর আপনার উচিত আপনার টার্গেট কাস্টমারদের সম্পর্কে লেখার চেষ্টা করা। আপনার পণ্যগুলি কেন অন্যদের থেকে সেরা তা বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করুন যাতে গ্রাহকরা এটি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা পান আর সহজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এটি কিনবেন কিনা।পোস্ট থেকেই মানুষ জানতে চান। সাধারণত অনেকেই ইনবক্সে এসে বিস্তারিত প্রশ্ন করতে চান না। তাদের কথা মাথায় রেখে পোস্টেই বিস্তারিত প্রকাশ করুন।

 

৬।ব্যাবসার পেইজে লাইভ করুনঃ

অনেক ক্রেতাই আছে যারা, কেবলমাত্র পণ্যের ছবি এবং বর্ণনার উপর বিশ্বাস রাখতে পারে না।  পণ্য বাছাই করার সুবিধার জন্য তারা সরাসরি দেখা ও যোগাযোগ করতে পছন্দ করে।  লাইভ স্ট্রিমিংয়ে আপনি সরাসরি ক্রেতার সাথে ইন্টারেক্ট করতে পারেন।

আপনার লাইভ  প্রোগ্রাম ঘোষণা দেওয়ার সময় একটি স্মার্ট ও আকর্ষণীয় শিরোনাম চয়ন করুন।কারণ এর নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে আপনার ফলোয়ারদের কাছে, এবং এটি দেখেই তারা লাইভটি দেখতে বেশ আগ্রহী হবে। আর খেয়াল রাখবেন লাইভে অবশ্যই ভদ্র, শালীন পোশাক পরে আসবেন ও শুদ্ধ ও সাবলীলভাবে কথা বলবেন।কৃত্রিমতা পরিহার করুন।

 

৭।ক্রেতাদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সুসম্পর্ক তৈরী করুনঃ

আপনার অনলাইন ব্যবসার পেইজে  যদি অনেক ফ্যান- ফলোয়ার থাকে, তাহলেই ভাববেন না যে খুব বিক্রি হবে।  আপনাকে আপনার কাস্টমারদের সাথে খুবই বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করতে হবে।  গ্রাহকদের সাথে যথেষ্ট বিনয়ের সাথে আচরণ করাটাই অনলাইন বিজনেসের একটি কৌশল।কেবলমাত্র”হায়!”, “হ্যালো স্যার”, “জ্বী স্যার”, “ওকে স্যার” এসব বা এগুলোর মতো কেবল কয়েকটি আনুষ্ঠানিক শব্দ দিয়েই কথাবার্তা শেষ করে দেওয়াটা ঠিক হবেনা। তাদেরকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়ার চেষ্টা করুন এবং তাদের কথাগুলো মনোযোগের সাথে শুনুন।তাদের সাথে দীর্ঘস্থায়ী একটি সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য খুব চেষ্টা করুন। এটি তাদেরকে পরবর্তীতে আপনার কাছ থেকে আরো জিনিস কেনার জন্য অনুপ্রাণিত করবে।গ্রাহকদের সাথে যোগাযোগ স্বয়ংক্রিয় ও আরো বেশি আধুনিকভাবে করতে চাইলে তৈরি করে নিতে পারেন একটি চ্যাটবট। চ্যাটবট মূলত  আপনার শিখিয়ে দেয়া কাজগুলো  পরবর্তীতে অটো পালন করবে।এতে আপনারও সময় বাচলো আর ক্রেতাও তথ্যটি সহজেই পেলো।

৮।গ্রাহকদের রিভিউগুলো গুরুত্বের সাথে নিন –

একজন ভালো মানের ব্যবসায়ী গ্রাহকদের কাছ থেকে আসা নেগেটিভ রিভিউ কিংবা নেতিবাচক প্রতিক্রিয়াকে উড়িয়ে না দিয়ে আমলে নেন। ব্যবসায়ের উন্নতির জন্য গ্রাহকের সমস্ত রিভিউ এবং পরামর্শ বিশ্লেষণ করা উচিত। আপনি যদি তাদের দেয়া পরামর্শকে সম্মান করেন তবে তারা মনে মনে সম্মানিত বোধ করবে এবং আপনাকে অনেকদিন মনে রাখবে।মনে রাখবেন,  গ্রাহকরাই গ্রাহকদের নিয়ে আসে।  তাই তারা কী পছন্দ করে বা অপছন্দ করে, আপনার কাছ থেকে আরো বেটার কি কি সার্ভিস পেতে চায়,  কোন ধরনের পণ্য আপনার থেকে কিনতে পারলে তারা খুশি হতো, তা জানার চেষ্টা করুন।  ব্যবসায়ের উন্নতির জন্য আপনার পরবর্তী পরিকল্পনায় এই তথ্যগুলির যথাযথ ব্যবহার করুন।

 

৯. ফেসবুকের ম্যাপ এ আপনার লোকেশনটা সংযুক্ত করুন:

ফেসবুক কোম্পানি একটি গুগল এপিআই ব্যবহার করে যাতে এটি ব্যাবহার করে আপনি যে জায়গাগুলিতে গিয়েছেন সেখানে নিজেকে চিহ্নিত করতে পারেন, নিজের অবস্থানটা জানতে পারেন।  ফেসবুকের এই বৈশিষ্ট্যটি “চেক-ইন” নামে বেশি পরিচিত।

আপনি কখনো কখনো হয়ত এই অপশনটিকে ব্যাবহার করে থাকবেন। কিন্তু আপনার ব্যবসায়ে এটির ভূমিকা বা গুরুত্ব কি,তা সম্পর্কে জানেন না।

এই “চেক ইন” অপশনটি লোকাল ব্যবসার জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।  যখনই কোনও গ্রাহক “চেক ইন” করেন, ফেসবুক তাকে স্থানীয় অনলাইন ব্যবসা কিংবা কোন ব্র্যান্ড এর বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে।  তবে এই অপশনটি কেবল স্থানীয় ব্যবসায়ের জন্য উপযোগী।  লোকাল কাস্টমার বা স্থানীয় গ্রাহকদের ধরে রাখার জন্য আপনি কিছু মূল্যছাড় বা কোনো আকর্ষণীয় অফার রাখতে পারেন।

The post ফেসবুকের মাধ্যমে যেভাবে অনলাইন ব্যাবসা পরিচালনা ও প্রচার করবেন appeared first on Sarkar IT.

]]>
https://www.sarkarit.com/%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87/feed/ 0
SEO কী এবং এর গুরুত্ব। https://www.sarkarit.com/seo-%e0%a6%95%e0%a7%80-%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%82-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a5%a4/ https://www.sarkarit.com/seo-%e0%a6%95%e0%a7%80-%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%82-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a5%a4/#respond Wed, 19 Jan 2022 09:46:46 +0000 https://www.sarkarit.com/?p=9485 SEO কাকে বলে ? SEO শব্দটির সাথে ওয়েবসাইট বিষয়ক জানাশোনা আছে এমন প্রায় সবাই-ই পরিচিত।কারণ হলো, একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে

The post SEO কী এবং এর গুরুত্ব। appeared first on Sarkar IT.

]]>
SEO কাকে বলে ?

SEO শব্দটির সাথে ওয়েবসাইট বিষয়ক জানাশোনা আছে এমন প্রায় সবাই-ই পরিচিত।কারণ হলো, একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে তাতে নিয়মিতভাবে কনটেন্টগুলো আপলোড করলেই কাজ শেষ হয়ে যায় না। আপনার  তৈরি করা পরিশ্রমলব্ধ কনটেন্টগুলো আপনার ভিজিটরদের কাছে পৌঁছাচ্ছে কি না, সেটা নিশ্চিত হওয়াও অন্যতম প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। আজ এই আর্টিকেলটির মাধ্যমে আমরা SEO শব্দটির সাথে একটু গভিরভাবে পরিচিত হওয়ার চেষ্টা করবো এবং এটি কিভাবে কাজ  করে সেই সম্পর্কেও বিস্তারিত জানবো।

 

প্রথমেই আসি SEO আসলে কি?

 

SEO এর পূর্ণরূপ হলো Search Engine Optimization (সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন)।কোনো একটি ওয়েবসাইটে পাবলিশ করা কনটেন্টগুলো কোনো সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করা হলে তা যেন ভিজিটরের একদম সামনে চলে আসে, সেই অনুযায়ী ওয়েবসাইট এবং সাইটের আর্টিকেল বা কন্টেন্টগুলোকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় অপটিমাইজ বা বিশেষায়িত করার নামই  মূলত SEO। কি…  বুঝতে একটু কঠিন কঠিন মনে হচ্ছে?

 

চলুন, আরেকটু সহজভাবে বোঝার চেষ্টা করা যাক।ধরুন, আপনি আপনার ওয়েবসাইটে Video Editing সম্পর্কিত বিভিন্ন টিউটোরিয়ালসমূহ প্রকাশ করেন। সুতরাং আপনি চাচ্ছেন, কেউ যদি গুগলে Video Editing Tutorial লিখে সার্চ করে, তাহলে আপনার ওয়েবসাইটের কনটেন্টগুলো যেন তার সামনে সবার আগে চলে আসে। এবং সেখান থেকে ওই ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে।SEO প্রক্রিয়ায় মূলত এটিই করা হয়।

 

 

একটুখানি চিন্তা করুন যে, শুধুমাত্র আপনিই Video Editing সম্পর্কিত টিউটোরিয়াল প্রকাশ করেন না, আপনার মতো আরো অনেক মানুষই আছে, যারা একই ধরনের টিউটোরিয়ালসমূহ প্রকাশ করে। অথচ সার্চ ইঞ্জিন গুগল আপনার ওয়েবসাইটকেই কেন সার্চ রেজাল্টে সবার আগে দেখালো?

 

কারণটি হলো- আপনি আপনার ওয়েবসাইটে থাকা কনটেন্টগুলোকে গুগল সার্চ ইঞ্জিনে সবার আগে নিয়ে আসার জন্য কিছু কৌশল অবলম্বন করেছেন। আর এই কৌশলটিই হচ্ছে Search Engine Optimization বা SEO।

 

সুতরাং আমরা এটা বুঝতে সমর্থ হয়েছি যে, SEO বিষয়টা একধরনের কৌশল তথা টেকনিক যেটাকে ব্যবহার করার মাধ্যমে ওয়েবসাইটের কনটেন্টসমূহকে গুগলসহ যেকোন জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জনের সাথে র্যাঙ্ক করানো হয় এবং এই প্রসেসটি সম্পন্ন করার মাধ্যমে আমাদের সাইটগুলোতে বেশি পরিমাণে ভিউয়ার নিয়ে আসা সম্ভব।

 

মূলত SEO বিষয়টা ২ টাইপের হয়ে থাকেঃ

 

১। On Page SEO: যে SEO সমূহ ওয়েবসাইটের অভ্যন্তরে করা হয়ে থাকে, সাধারণত তাকে On Page SEO বলে। যেমনঃ কনটেন্টের সাথে টাইটেল, ট্যাগ, কিওয়ার্ড ইত্যাদী প্রাসঙ্গিক আছে কি না, তা নিশ্চিত করা।

 

২। Off Page SEO: যে SEO সমূহ ওয়েবসাইটের বাইরে করা হয়ে থাকে, তাকে On Page SEO বলে। যেমনঃ বিভিন্ন ব্লগ, সোশ্যাল মিডিয় বা ফোরামে ওয়েবসাইটের লিংক শেয়ার করা। অথবা ওয়েবসাইটের জন্য ব্যাকলিংক তৈরি করা ইত্যাদি।

 

ওয়েবসাইটের SEO করা কেন প্রয়োজন?

 

প্রথমেই উল্লেখ করেছিলাম, একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা এবং তাতে নিয়মিত কনটেন্ট আপলোড করাই শেষ কথা না। তৈরি করা কনটেন্টগুলো ভিজিটরদের কাছে পৌঁছাচ্ছে কি না, সেটা নিশ্চিত করাটাই অন্যতম প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। সুতরাং আপনার ওয়েবসাইটের কনটেন্টগুলো যেন গুগলে সার্চ করে সবার আগে ভিজিটরের কাছে পৌঁছায়, তার জন্য আপনার ওয়েবসাইটকে অপটিমাইজ করা অপরিহার্য।

 

মনে রাখুন, আপনি যদি আপনার ওয়েবসাইটকে SEO না করেন, তাহলে আপনার কনটেন্টগুলো সার্চ ইঞ্জিনের তৃতীয় অথবা চতুর্থ পেইজে শো করবে।অথবা হয়তো শো-ই করবে না।মূলত মানুষজন সাধারণত সার্চ রেজাল্টের প্রথম পেইজ বাদ রেখে পরের পেইজে তেমন একটা যায় না বা যেতে চায় না।

 

মোটকথা, বেশিরভাগ ভিজিটরই সেসকল ওয়েবসাইটগুলোতে প্রবেশ করবে, যেগুলো সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পেজে প্রদর্শিত হয়েছে। আর যেহেতু আপনার ওয়েবসাইটের কন্টেন্টগুলো সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পেজে প্রদর্শিত হচ্ছে না, তাই আপনি সম্ভাব্য অনেক ভিজিটর হারিয়ে ফেলবেন।

 

সুতরাং  একথাটা স্পষ্টই যে বর্তমান প্রতিযোগিতার এই বিশ্বে SEO কৌশল ছাড়া সার্চ ইঞ্জিন হতে ভিউয়ার বা ট্রাফিক পাওয়া প্রায় একধরনের অসম্ভব। মূলত SEO করা ব্যাতিত কোনো ওয়েবসাইটকেই সার্চ ইঞ্জিন একদম র‌্যাঙ্কই করে না।

 

বাংলাদেশের পরিস্থিতিতে SEO’র সম্ভাবনা ও ভবিষ্যত আসলে কেমন?

 

আমাদের  এদেশে বর্তমানে বিরাট বড় বড় ডিগ্রি/টাইটেল নিয়ে অনেকেই বেকার বসে আছেন কাজের সন্ধানে কিংবা একটি চাকরির আশায়। তবে একটি সত্যকথা হলো, তথ্য-প্রযুক্তির এই যুগে SEO জানলে বসে থাকার কোনো কারণ নেই। শুধু SEO-ই নয়, প্রযুক্তিগত যেকোনো ধরনের ক্ষেত্রগুলোতেই আপনার স্কীল থাকলে লোকাল কোনো মার্কেটেও আপনি অনেক কাজ সহজেই খুঁজে পাবেন। আর অনলাইনে এসব কাজের জন্য অনেক বড় বড় মার্কেটপ্লেস তো আছেই।

 

আর  যারা ওয়েব ডেভেলপমেন্টের কাজ করেন।তাদের জন্য SEO এর বিস্তর জ্ঞান থাকাটা বেশ জরুরী। কারণ, SEO এর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান নেই, এধরনের ওয়েব ডেভেলপারকে কখনোই একজন পূর্নাঙ্গ ডেভেলপার বলা যায় না।

 

প্রতিনিয়ত আমাদের দেশেই হাজার হাজার রকমের ওয়েবসাইট তৈরি হচ্ছে। আর তাই প্রতিনিয়ত SEO করার চাহিদাও বৃদ্ধি পাচ্ছে খুব দ্রুত গতিতেই । বিশ্বের বাজারে SEO ব্যাপারটি  এখন বিলিয়ন ডলারের মার্কেটে রূপ নিয়েছে। আর বাংলাদেশেও অদূর ভবিষ্যতে SEO হবে একটা বিশাল কর্মসংস্থানের উত্তম জায়গা। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী এ ধরনের কাজে নিয়োজিত রয়েছেন লাখ লাখ ফ্রিল্যান্সার।

 

সুতরাং, একথা বলা যেতে পারে আমাদের দেশে কিংবা বিশ্ব বাজারে SEO’র সম্ভাবনা খুব ভালো এবং SEO এক্সপার্ট জনশক্তির ভবিষ্যৎ খুবই উজ্জ্বল। তাই SEO তে সফলতা  পাওয়ার জন্য আপনার প্রয়োজন লেগে থাকার মন-মানসিকতা এবং প্রচণ্ড পরিশ্রম। পরিশ্রম আছে তাই বলে এটি কঠিন কিছু নয়। যেকোন স্কিলই আয়ত্ব করার  ক্ষেত্রে মন-প্রান দিয়ে লেগে থেকে কাজ করে গেলে সফলতা আসবেই ইনশাআল্লাহ।

 

 

The post SEO কী এবং এর গুরুত্ব। appeared first on Sarkar IT.

]]>
https://www.sarkarit.com/seo-%e0%a6%95%e0%a7%80-%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%82-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a5%a4/feed/ 0
ফেসবুক এ্যাড একাউন্ট বারবার ডিজেবল কেন হয়? ও এর সমাধান কী https://www.sarkarit.com/facebook-account-disable-issue-and-how-to-solve-it/ https://www.sarkarit.com/facebook-account-disable-issue-and-how-to-solve-it/#respond Tue, 16 Nov 2021 11:30:01 +0000 https://www.sarkarit.com/?p=8728 চলমান সময়ে ফেইসবুক একটি বহুল ব্যবহৃত মাধ্যম।ফেইসবুক দিন দিন ডিজিটাল বিঞ্জাপণের ক্ষেত্রে একটি বিশাল মাধ্যম হয়ে উঠতেছে যার অন্যতম একটি

The post ফেসবুক এ্যাড একাউন্ট বারবার ডিজেবল কেন হয়? ও এর সমাধান কী appeared first on Sarkar IT.

]]>

চলমান সময়ে ফেইসবুক একটি বহুল ব্যবহৃত মাধ্যম।ফেইসবুক দিন দিন ডিজিটাল বিঞ্জাপণের ক্ষেত্রে একটি বিশাল মাধ্যম হয়ে উঠতেছে যার অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে ফেইসবুক এর খরচ অন্যান্য মিডিয়ার তুলনায় কম। আপনি খুব সহজেই ফেইসবুক এর মাধ্যমে অতি অল্প সময়ের মধ্যে আপনার পণ্য বা সেবার নাম ছড়িয়ে দিতে পারবেন দেশের প্রায় ৩ কোটির ও বেশি ব্যবহার কারীর মাঝে। 

কিন্তু ফেসবুকে এই বিজ্ঞাপন দেওয়ার কাজটি সহজ হলেও কিছু নিয়ম-নীতি মেনে আপনাকে এ্যাড রান করতে হবে যা আপনার জন্য বা একজন সাধারণ ব্যবসায়ী বা উদ্যোক্তার জন্য মেনে চলা কঠিন ও সময়সাপেক্ষ।  আবার সময়ের সাথে সাথে  প্রতিনিয়তই আপডেট হচ্ছে নিয়ম-নীতি গুলো। আর এই নিয়ম-নীতি না মেনে বিজ্ঞাপন চালালে সাম্প্রতিক যে সমস্যা গুলি দেখা দিচ্ছে তা হলো: 

১. আপনার এ্যাড একাউন্টি হঠ্যাৎ করেই ডিজ্যাবল হয়ে যাওয়া  অথবা এ্যাডভার্টাইজিং রেস্ট্রিকডেট হয়ে যাওয়া। 

২. আপনার এ্যাড পোস্টি রান হতে কিছু সময় নিতে পারে।

৩. পেমেন্ট সংক্রান্ত নানা রকমের সমস্যা হওয়া

৪. এ্যাড পোস্ট থেকে কাঙ্ক্ষিত বা আশানুরূপ ফলাফল না পাওয়া

৫. একই ধরনের ভূল করার কারনে এ্যাড ব্যান হওয়া

৬. প্রতিষ্ঠানের ডোমেইন ব্যান হওয়া অথবা  ইউআরএল ব্যান হওয়া।

বর্তমান সময়ে ফেসবুকের ব্যবসা বা বিজ্ঞাপনের মাত্রা অত্যধিক বৃদ্ধি পেয়েছে  যার ফলে তারা বিভিন্ন ধরনের আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স (এআই) বসিয়েছে। যেই গুলির মাধ্যমে তারা  বিভিন্ন যাচাই প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন । যার ফলশ্রুতিতে অতি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কারণে অনেক ধরনের এ্যাড বা কনটেন্ট প্রতিনিয়ত রিজেক্ট হচ্ছে । যার দরুন ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। ফেসবুক এড একাউন্ট বারবার ডিজেবল হয়ে যাওয়ার কিছু কারণ জানা গিয়েছে-

ক. পেমেন্ট সঠিকভাবে না করা: ফেসবুক বিজ্ঞাপনের জন্য ভ্যাট প্রদান বাংলাদেশে বাধ্যতামূলক। বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা  এই ভ্যাট ফাঁকি দিতে  অনুমোদন বিহীন আন্তর্জাতিক পেমেন্ট গেটওয়ে বা অন্য দেশের ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড ব্যবহার করেন। আর ঠিক এজন্যই তাদের এ্যাড একাউন্টি ডিজেবল হয়ে যায়। আর এই সমস্যার সমাধান হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদিত ব্যাংকের কার্ড ব্যবহার করে পেমেন্ট প্রদান করা।

খ.আমরা অনেক সময় আমাদের অনেক ব্যবসায়িক প্রয়োজেনে একাধিক ফেসবুক পেইজ ক্রিয়েট করে থাকি এবং একটি মাত্র এ্যাড একাউন্ট থেকেই ওই সমস্ত পেইজের বিজ্ঞাপন চালানো শুরু করি। তাই  একের অধিক পেইজের বিজ্ঞাপনের জন্য আলাদা আলাদা একাউন্ট ওপেন করে নেওয়া উচিত নয়তো একাউন্টি ডিজেবল হয়ে যাবে ।

গ. ফেসবুকে এ্যাড প্লেসমেন্ট এর অনেক গুলি ক্যাটাগরি রয়েছে। যার  মধ্যে ৩টি ক্যাটাগরি হচ্ছে স্পেশাল যেই  ক্যাটাগরি গুলিকে স্পেশাল ক্যাটাগরি হিসেবে এ্যাড করা হয়েছে। আর আপনার পণ্য বা সেবার নামের  বিঞ্জাপনটি  যদি এই ৩ তিন ক্যাটাগরির মধ্যে যেকোন একটি হয় তবে তার জন্য আপনাকে অবশ্যই স্পেশাল এ্যাড ক্যাটাগরি সিলেক্ট করে এ্যাড প্লেস করতে হবে। 

এই  তিনটি ক্যটাগরি হলোঃ

১) হাউজিং: অর্থ্যাৎ প্রপার্টি বিজনেস। আপনি যদি প্রপার্টি নিয়ে কোন এ্যাডদিতে চান তবে আপানার জন্য এই ক্যাটাগরিটি প্রযোজ্য হবে।

২) এ্যড বা বিঞ্জাপনটি  বীমা বা ঋণ নিয়ে হলে এই ক্যাটাগরিতে পড়বে।

৩) জব প্লেসমেন্ট : আপনি যদি কোন জবের জন্য কর্মী নিয়োগ দিতে চান তবে এটিও স্পেশাল ক্যাটাগরির মধ্যে গণ্য হবে।

ঘ.ফেইসবুক বিজ্ঞাপনে কপিরাইট বিষয়টি এখন অনেক গুরুত্বের সাথে দেখা হয়। এইজন্য কোন এ্যাড পোস্টে কপি করা কোনো প্রকার ইমেজ ও লেখা ব্যবহার করা যাবেনা। আর ইমেজের ব্যাবহার করার ক্ষেত্রে সঠিক সাইজ ও অল্প লেখা ব্যবহার করতে হবে। পোস্টে কোনো ওয়েব ইউআরএল শর্টার অ লুকএলাইক স্প্যামিং লিংক ব্যবহার করা যাবেনা। পোস্টে কোন প্রকার টাকার এমাউন্টের গ্যারান্টেড অফার বা লটারী অথবা জুয়ার মতো কোন কনটেন্ট ব্যবহার করা যাবে না।

ঙ. ফেইক প্রোফাইল ব্যবহার করে এ্যাড দেওয়া: 

আমাদের মধ্যে বেশির ভাগ লোকই  সঠিক তথ্য দিয়ে প্রোফাইল ক্রিয়েট করে না। বিভিন্ন কারণে বিভিন্ন ফেইক তথ্য দিয়ে প্রোফাইল ক্রিয়েট করে থাকে। বিশেষ করে ফেসবুকের নাম এবং জন্মতারিখের সাথে আইডি কার্ডের নাম এবং জন্মতারিখের কোনো প্রকার মিল তারা রাখে না!  আবার অনেকে দেখবেন একই ব্যক্তির নাম, ছবি ও তথ্য ব্যবহার করে একাধিক আইডি খুলেন। যে সকল কারণে আইডিগুলো রেস্ট্রিকটেড বা ডিজেবল হলে  রিভিউ দেওয়ার পরও আইডি ফিরে পাচ্ছেন না। সুতরাং  সঠিক তথ্য দিয়ে একটি প্রোফাইল আইডি ওপেন করতে হবে।

চ) ফেসবুকের বিজ্ঞাপন নীতি ভায়োলেট হলেঃ

আপনি যদি আপনার ফেসবুক বিজ্ঞাপন ম্যানেজার অ্যাকাউন্ট  খোলার আগে ফেসবুক বিজ্ঞাপন নীতিগুলি না পড়ে থাকেন তবে ভবিষ্যতে  ভূল থেকে বাঁচতে আমরা আপনাকে ফেসবুকের বিজ্ঞাপন নীতিগুলি পড়ে নেয়ার পরামর্শ দিই। ফেসবুকের বিজ্ঞাপননীতি ভায়োলেট করার কারনেই অনেকের ফেসবুক এড একাউন্ট ডিজেবল হয়ে যাচ্ছে। তাই এড প্রচারের আগে এই নীতিমালাগুলো খেয়াল রাখুন।

ছ)ফেসবুক কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড লঙ্ঘনঃ

ফেসবুক কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ডের ক্ষেত্রেও খুবই সতর্ক থাকতে হয়।ফেসবুকের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ডে বলা আছে কি ধরনের বিজ্ঞাপন সেখানে অনুমোদিত ও কোনগুলো নয়। আপনার ফেসবুক বিজ্ঞাপন অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় করার আরেকটি কারণ হতে পারে  আপনার ব্যবসায়িক পেইজ, বিজ্ঞাপন বা অন্য কোন ধরনের সামগ্রী যা আপনি কখনও পোস্ট করেছেন এবং সেটা হয়তো কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড ভায়োলেট করেছে।তাই সতর্ক থাকুন বিষয়টিতে।

ফেসবুক এড একাউন্ট ডিজেবল হয়ে যাওয়ার এই কারণগুলো সলভ করার মাধ্যমেই নিজের এড একাউন্টকে সুরক্ষা দিতে হবে।

The post ফেসবুক এ্যাড একাউন্ট বারবার ডিজেবল কেন হয়? ও এর সমাধান কী appeared first on Sarkar IT.

]]>
https://www.sarkarit.com/facebook-account-disable-issue-and-how-to-solve-it/feed/ 0
ফেসবুক এড কি ও কেন ফেইসবুক এড গুরুত্বপূর্ণ? https://www.sarkarit.com/what-is-facebook-ad-and-why-its-important/ https://www.sarkarit.com/what-is-facebook-ad-and-why-its-important/#respond Tue, 16 Nov 2021 11:08:08 +0000 https://www.sarkarit.com/?p=8722 সাধারনত যেসব বিজ্ঞাপনগুলো ফেসবুকের বিজ্ঞাপন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রদর্শিত হয়, তাই ফেসবুক এড।এসব বিজ্ঞাপনসমূহ ফেসবুকের ফিড, মেসেঞ্জার,ফেসবুক সেল পয়েন্টসহ ফেসবুকের সব

The post ফেসবুক এড কি ও কেন ফেইসবুক এড গুরুত্বপূর্ণ? appeared first on Sarkar IT.

]]>

সাধারনত যেসব বিজ্ঞাপনগুলো ফেসবুকের বিজ্ঞাপন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রদর্শিত হয়, তাই ফেসবুক এড।এসব বিজ্ঞাপনসমূহ ফেসবুকের ফিড, মেসেঞ্জার,ফেসবুক সেল পয়েন্টসহ ফেসবুকের সব ধরনের প্লাটফর্মগুলোতে প্রচার করে বিশেষ কোনো প্রডাক্টের মার্কেটিং করা হয়।এসব বিজ্ঞাপনসমূহ বিভিন্ন ফরমেটে আসে। চিত্র, ভিডিও, স্লাইড শো এবং আরও বিভিন্নভাবে বিজ্ঞাপনগুলো দর্শকদের সামনে তুলে ধরা হয়।এড তৈরী ও প্রচারের ক্ষেত্রে সচেতনভাবে  সুনির্দিষ্ট দর্শকদের লক্ষ্য করা হয়।যাতে সহজেই বিজ্ঞাপনদাতা  তার টার্গেট কাস্টমার পেয়ে যায়।

ফেসবুকে একটি বিজ্ঞাপন তৈরি করা আপনার ব্যক্তিগত পেইজে প্রোডাক্টসের ব্যাপারে পোস্ট করা থেকে অনেক আলাদা।

ফেসবুক বিজ্ঞাপন কি?

ফেসবুক বিজ্ঞাপনগুলি টাকা ব্যায় করে ফেসবুকে ব্যাবসার প্রচারনা চালাতে ব্যাবহার করা হয়। ফেসবুকের এডের বার্তাগুলি আপনার নিজের মতো করে লিখে আপনি নিজের পণ্যের প্রচারনা চালাতে পারবেন। ফেসবুকে এডের মাধ্যমে আপনি  অসংখ্য ভোক্তার কাছে আপনার পন্যের সুবিধাগুলো দারুনভাবে তুলে ধরতে পারবেন। বর্তমানে অধিকাংশ মানুষই অনলাইনের দুনিয়ার সাথে যুক্ত আছে।তাই ফেসবুক ব্যাবহার করে তাদের কাছে পৌছানো আপনার জন্য খুবই সহজ। 

যে কেউ তাদের ফেসবুক পেইজে বিনামূল্যে পোস্ট করতে পারে ঠিকই। কিন্তু বিনামূল্যে করা পোষ্টটি কাদের সামনে প্রদর্শিত হবে, তা আপনি জানেন না। আপনি কখনই জানেন না কে আপনার পোস্টগুলো দেখতে যাচ্ছে। তবে পেইজ বা পোস্ট প্রমোট করে আপনি খুবই ইজিলি আপনার টার্গেট পিপলের কাছে আপনার পন্যের তথ্য তুলে ধরতে পারবেন। এসব তথ্যগুলো দেখে তারা পন্যটি ক্রয় করবে কিনা, এই সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

ফেসবুক বিজ্ঞাপন বিভিন্ন ফরম্যাটে প্রচার করা সম্ভব।গ্রাফিক্স ডিজাইনিং, এনিমেশন গ্রাফিক্স,ভিডিওগ্রাফির মাধ্যমে যে যত সুন্দর মতো নিজের বিজ্ঞাপনগুলো ফুটিয়ে তুলতে পারবে, তার প্রোডাক্ট তত বেশি জনপ্রিয় হয়ে ওঠার সম্ভাবনা থাকে। 

ফেসবুক এড কেন ব্যাবসার প্রচারনায় গুরুত্বপূর্ণ :

এই শতাব্দীতে ইন্টারনেট যুগের শুরুর পর থেকে সাড়াবিশ্বে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা কেবল বেড়েই চলেছে। যে কোন কাজে এখন ইন্টারনেটের কোনো বিকল্প যেন একদমই নেই। এমনকি ছোট্ট সোনামনিদের হাতে হাতেও বিভিন্ন গ্যাজেট চলে যাওয়ায় তারাও এখন খুব ইজিলি এটি ব্যবহার করতে শিখে গেছে। ফেসবুক বা যে কোন ধরনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সাথে এখন প্রায় সকলেই জড়িত, কোন না কোন সামাজিক মাধ্যমে সবারই একটি একাউন্ট বা আইডি আছে।

সামাজিক মাধ্যমে এত এত মানুষের এত আগ্রহ স্বভাবতই পন্যের মার্কেটারদের চোখ এড়ায়নি। খুব অল্পসময়েই এ মাধ্যমগুলো বিজ্ঞাপনদাতাদের টার্গেটে পরিণত হয়ে যায়।কারণ, অসংখ্য মানুষের কাছে বিজ্ঞাপনের প্রচার ও প্রসারের সম্ভাবনাটা স্যোশাল মিডিয়ায় দ্বারা খুব সহজে সম্ভব।বিংশ শতাব্দীর শুরুভাগ থেকে ডিজিটাল মার্কেটিং এর ধারণা বেড়ে যাওয়ার ফলে সোশ্যাল নেটওয়ার্কগুলোও তাদের  প্রসারিত করে যার ফলশ্রুতিতে তারা মাধ্যমগুলো বিজ্ঞাপনের উপযোগী করে গড়ে তোলায় সচেষ্ট হয়।

প্রথমদিকে মার্কেটাররা নিজেদের মত করে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন দিলেও আজকাল এই মাধ্যমগুলোতে মোটাদাগে কিছু ফিচার দেয়া থাকে যা বিজ্ঞাপন দেয়ার জন্য খুবই সহায়ক। এর একটি বড় সুবিধা হল, আপনি আপনার নিজের মত করে বিজ্ঞাপন তৈরি করে এখানে প্রচার করতে পারেন। শুধু তাই না, আপনার টার্গেট গ্রুপ কারা হবে তাও আপনি ঠিক করে দিতে পারবেন। ফলে আপনি যাদের উদ্দেশ্য করে বিজ্ঞাপনটি তৈরি করেছেন তাদের কাছে খুব সহজেই তা পৌঁছে যায়। সামাজিক মাধ্যমগুলোর মধ্যে ফেসবুকই এ ব্যাপারে প্রথম পদক্ষেপ নেয় কারণ বিজ্ঞাপনদাতাদের নিজেদের মত করে বিজ্ঞাপন দেয়ার ফলে সামাজিক মাধ্যমগুলো আবেদন হারাচ্ছিল।

ফেসবুকের বিজ্ঞাপনের ফিচার ও পদ্ধতিগুলো এত অভাবনীয় যে, যে কেউই খুব সহজেই শিখে নিতে পারবে কীভাবে এখানে এড দিতে হয়। আবার, জনপ্রিয়তা বেশি থাকায় এর ব্যবহারকারীর সংখ্যাও বেশি। ফলে আপনি সহজেই বেশি সংখ্যক লোকের কাছে আপনার বার্তা পৌঁছে দিতে পারছেন। এই দুটি বিষয়ই ফেসবুক এডভারটাইজিং এর সুবিধাগুলোকে বেশি শক্তিশালী করেছে এবং এর থেকে সর্বোচ্চটুকু নেয়ার সম্ভাবনাও আপনার হাতেই রয়েছে।

তাই ছোটখাট ব্যবসায় থেকে মাঝারি সাইজের এন্টারপ্রাইজ কিংবা বড় বড় কর্পোরেশন; সবাই এখন ফেসবুকেই বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে। সুতরাং, আপনার ব্যবসায় যত ছোটই হোক না কেন, কিংবা যত বড়ই হোক না কেন, যে কোন প্রকারের বিজনেস থেকেই ফেসবুকের ভিত্তিতে আপনি খুব সহজেই মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি তৈরি করতে পারেন। আরও মজার ব্যাপার হল, এক্ষেত্রে আপনি অল্প বাজেটেই ভালো বিজ্ঞাপন তৈরী করে প্রচার করতে পারছেন।

এডভারটাইজিংএর জন্য ফেসবুককেই কেন বেছে নিবেন

ফেসবুকের একটি অনন্য ব্যাপার হল এখানে আপনার যেই প্রোফাইলটি আছে সেটি ব্যবহার করেই আপনি আপনার পেইজটি খুলতে পারছেন। আর যখন আপনার একটি ফেসবুক পেইজ থাকবে তখনই আপনি বিজ্ঞাপনের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ফেসবুক থেকে এর সর্বোচ্চ সুবিধা গুলো নিতে পারবেন। অর্থাৎ, ফেসবুক পেইজ আপনার বিজ্ঞাপনকে তরান্বিত করে। আপনার ব্যবসায় কিংবা কোন প্রতিষ্ঠান বা যে কোন কিছুকেই আপনি এই পেইজের মাধ্যমে তুলে ধরতে পারেন সবার সামনে।

এই পেইজে আপনি আপনার ব্যাবসার বিষয় সংক্রান্ত যে কোন ধরনের কন্টেন্ট শেয়ার করতে পারেন। ফলে আপনার ব্যাবসার বিষয়ে যাবতীয় তথ্য মানুষ এই পেইজ থেকেই খুব সহজে পেয়ে যাবে। আর এই প্রক্রিয়াতেই আপনার সেবা বা পণ্যের ব্র্যান্ডিং ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাবে। আপনি ব্যাবসা সম্বন্ধে যা প্রচার করতে চাইছেন, তা সম্পর্কে যাবতীয় ধারণা আপনার পেইজ থেকেই লোকে সহজে জানতে পারবে। 

ফলে, আপনার ফেইসবুক পেইজটি এক্ষেত্রে মানুষের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র হয়ে দাঁড়াতে পারে। আবার, এই পেইজ থেকেই আপনি ফেসবুকের কিছু বাড়তি অপশন ব্যবহার করে এটিকে একটি ই-কমার্স স্টোরে পরিণত করতে পারেন।

সুতরাং, আপনার প্রতিষ্ঠানকে মানুষের কাছে সবচেয়ে ভালোভাবে তুলে ধরতে ফেসবুক পেইজ একটি অনন্য ভূমিকা রাখতে পারে। এখান থেকে যাবতীয় তথ্য আপনি যেভাবে মানুষকে পৌঁছে দিতে চাচ্ছেন ঠিক সেভাবেই দিতে পারছেন। আপনার পণ্যের প্রচারের জন্য যেসকল ধরনের প্রচেষ্টা বা ভাবনা আপনার নিকট আছে তার সবকিছুই এই পেইজের মাধ্যমে আপনি বাস্তবে রূপ দিতে পারেন, এখান থেকে আপনার ব্যাবসার টার্গেট গ্রুপের সাথে সরাসরি  যোগাযোগের মাধ্যমে ভালো সম্পর্ক গড়তে পারবেন।

The post ফেসবুক এড কি ও কেন ফেইসবুক এড গুরুত্বপূর্ণ? appeared first on Sarkar IT.

]]>
https://www.sarkarit.com/what-is-facebook-ad-and-why-its-important/feed/ 0
SEO কী এবং এর গুরুত্ব https://www.sarkarit.com/what-is-seo-why-its-important/ https://www.sarkarit.com/what-is-seo-why-its-important/#respond Tue, 16 Nov 2021 10:45:52 +0000 https://www.sarkarit.com/?p=8716 SEO কাকে বলে? SEO শব্দটির সাথে ওয়েবসাইট বিষয়ক জানাশোনা আছে এমন প্রায় সবাই-ই পরিচিত। কারণ হলো, একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে

The post SEO কী এবং এর গুরুত্ব appeared first on Sarkar IT.

]]>

SEO কাকে বলে?

SEO শব্দটির সাথে ওয়েবসাইট বিষয়ক জানাশোনা আছে এমন প্রায় সবাই-ই পরিচিত। কারণ হলো, একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে তাতে নিয়মিতভাবে কনটেন্টগুলো আপলোড করলেই কাজ শেষ হয়ে যায় না। আপনার  তৈরি করা পরিশ্রমলব্ধ কনটেন্টগুলো আপনার ভিজিটরদের কাছে পৌঁছাচ্ছে কি না, সেটা নিশ্চিত হওয়াও অন্যতম প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। আজ এই আর্টিকেলটির মাধ্যমে আমরা SEO শব্দটির সাথে একটু গভিরভাবে পরিচিত হওয়ার চেষ্টা করবো এবং এটি কিভাবে কাজ  করে সেই সম্পর্কেও বিস্তারিত জানবো।

প্রথমেই আসি SEO আসলে কি?

SEO এর পূর্ণরূপ হলো Search Engine Optimization (সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন)। কোনো একটি ওয়েবসাইটে পাবলিশ করা কনটেন্টগুলো কোনো সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করা হলে তা যেন ভিজিটরের একদম সামনে চলে আসে, সেই অনুযায়ী ওয়েবসাইট এবং সাইটের আর্টিকেল বা কন্টেন্টগুলোকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় অপটিমাইজ বা বিশেষায়িত করার নামই  মূলত SEO। কি…  বুঝতে একটু কঠিন কঠিন মনে হচ্ছে?

চলুন, আরেকটু সহজভাবে বোঝার চেষ্টা করা যাক। ধরুন, আপনি আপনার ওয়েবসাইটে Video Editing সম্পর্কিত বিভিন্ন টিউটোরিয়ালসমূহ প্রকাশ করেন। সুতরাং আপনি চাচ্ছেন, কেউ যদি গুগলে Video Editing Tutorial লিখে সার্চ করে, তাহলে আপনার ওয়েবসাইটের কনটেন্টগুলো যেন তার সামনে সবার আগে চলে আসে। এবং সেখান থেকে ওই ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে।SEO প্রক্রিয়ায় মূলত এটিই করা হয়।

একটুখানি চিন্তা করুন যে, শুধুমাত্র আপনিই Video Editing সম্পর্কিত টিউটোরিয়াল প্রকাশ করেন না, আপনার মতো আরো অনেক মানুষই আছে, যারা একই ধরনের টিউটোরিয়ালসমূহ প্রকাশ করে। অথচ সার্চ ইঞ্জিন গুগল আপনার ওয়েবসাইটকেই কেন সার্চ রেজাল্টে সবার আগে দেখালো?

কারণটি হলো- আপনি আপনার ওয়েবসাইটে থাকা কনটেন্টগুলোকে গুগল সার্চ ইঞ্জিনে সবার আগে নিয়ে আসার জন্য কিছু কৌশল অবলম্বন করেছেন। আর এই কৌশলটিই হচ্ছে Search Engine Optimization বা SEO।

সুতরাং আমরা এটা বুঝতে সমর্থ হয়েছি যে, SEO বিষয়টা একধরনের কৌশল তথা টেকনিক যেটাকে ব্যবহার করার মাধ্যমে ওয়েবসাইটের কনটেন্টসমূহকে গুগলসহ যেকোন জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জনের সাথে র্যাঙ্ক করানো হয় এবং এই প্রসেসটি সম্পন্ন করার মাধ্যমে আমাদের সাইটগুলোতে বেশি পরিমাণে ভিউয়ার নিয়ে আসা সম্ভব।

মূলত SEO বিষয়টা ২ টাইপের হয়ে থাকেঃ

১। On Page SEO: যে SEO সমূহ ওয়েবসাইটের অভ্যন্তরে করা হয়ে থাকে, সাধারণত তাকে On Page SEO বলে। যেমনঃ কনটেন্টের সাথে টাইটেল, ট্যাগ, কিওয়ার্ড ইত্যাদী প্রাসঙ্গিক আছে কি না, তা নিশ্চিত করা।

২। Off Page SEO: যে SEO সমূহ ওয়েবসাইটের বাইরে করা হয়ে থাকে, তাকে On Page SEO বলে। যেমনঃ বিভিন্ন ব্লগ, সোশ্যাল মিডিয় বা ফোরামে ওয়েবসাইটের লিংক শেয়ার করা। অথবা ওয়েবসাইটের জন্য ব্যাকলিংক তৈরি করা ইত্যাদি।

ওয়েবসাইটের SEO করা কেন প্রয়োজন?

প্রথমেই উল্লেখ করেছিলাম, একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা এবং তাতে নিয়মিত কনটেন্ট আপলোড করাই শেষ কথা না। তৈরি করা কনটেন্টগুলো ভিজিটরদের কাছে পৌঁছাচ্ছে কি না, সেটা নিশ্চিত করাটাই অন্যতম প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। সুতরাং আপনার ওয়েবসাইটের কনটেন্টগুলো যেন গুগলে সার্চ করে সবার আগে ভিজিটরের কাছে পৌঁছায়, তার জন্য আপনার ওয়েবসাইটকে অপটিমাইজ করা অপরিহার্য।

মনে রাখুন, আপনি যদি আপনার ওয়েবসাইটকে SEO না করেন, তাহলে আপনার কনটেন্টগুলো সার্চ ইঞ্জিনের তৃতীয় অথবা চতুর্থ পেইজে শো করবে।অথবা হয়তো শো-ই করবে না। মূলত মানুষজন সাধারণত সার্চ রেজাল্টের প্রথম পেইজ বাদ রেখে পরের পেইজে তেমন একটা যায় না বা যেতে চায় না।

মোটকথা, বেশিরভাগ ভিজিটরই সেসকল ওয়েবসাইটগুলোতে প্রবেশ করবে, যেগুলো সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পেজে প্রদর্শিত হয়েছে। আর যেহেতু আপনার ওয়েবসাইটের কন্টেন্টগুলো সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পেজে প্রদর্শিত হচ্ছে না, তাই আপনি সম্ভাব্য অনেক ভিজিটর হারিয়ে ফেলবেন।

সুতরাং, একথাটা স্পষ্টই যে বর্তমান প্রতিযোগিতার এই বিশ্বে SEO কৌশল ছাড়া সার্চ ইঞ্জিন হতে ভিউয়ার বা ট্রাফিক পাওয়া প্রায় একধরনের অসম্ভব। মূলত SEO করা ব্যাতিত কোনো ওয়েবসাইটকেই সার্চ ইঞ্জিন একদম র‌্যাঙ্কই করে না।

বাংলাদেশের পরিস্থিতিতে SEO’র সম্ভাবনা ও ভবিষ্যত আসলে কেমন?

আমাদের  এদেশে বর্তমানে বিরাট বড় বড় ডিগ্রি/টাইটেল নিয়ে অনেকেই বেকার বসে আছেন কাজের সন্ধানে কিংবা একটি চাকরির আশায়। তবে একটি সত্যকথা হলো, তথ্য-প্রযুক্তির এই যুগে SEO জানলে বসে থাকার কোনো কারণ নেই। শুধু SEO-ই নয়, প্রযুক্তিগত যেকোনো ধরনের ক্ষেত্রগুলোতেই আপনার স্কীল থাকলে লোকাল কোনো মার্কেটেও আপনি অনেক কাজ সহজেই খুঁজে পাবেন। আর অনলাইনে এসব কাজের জন্য অনেক বড় বড় মার্কেটপ্লেস তো আছেই।

আর  যারা ওয়েব ডেভেলপমেন্টের কাজ করেন।তাদের জন্য SEO এর বিস্তর জ্ঞান থাকাটা বেশ জরুরী। কারণ, SEO এর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান নেই, এধরনের ওয়েব ডেভেলপারকে কখনোই একজন পূর্নাঙ্গ ডেভেলপার বলা যায় না।

প্রতিনিয়ত আমাদের দেশেই হাজার হাজার রকমের ওয়েবসাইট তৈরি হচ্ছে। আর তাই প্রতিনিয়ত SEO করার চাহিদাও বৃদ্ধি পাচ্ছে খুব দ্রুত গতিতেই । বিশ্বের বাজারে SEO ব্যাপারটি  এখন বিলিয়ন ডলারের মার্কেটে রূপ নিয়েছে। আর বাংলাদেশেও অদূর ভবিষ্যতে SEO হবে একটা বিশাল কর্মসংস্থানের উত্তম জায়গা। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী এ ধরনের কাজে নিয়োজিত রয়েছেন লাখ লাখ ফ্রিল্যান্সার।

সুতরাং, একথা বলা যেতে পারে আমাদের দেশে কিংবা বিশ্ব বাজারে SEO’র সম্ভাবনা খুব ভালো এবং SEO এক্সপার্ট জনশক্তির ভবিষ্যৎ খুবই উজ্জ্বল। তাই SEO তে সফলতা  পাওয়ার জন্য আপনার প্রয়োজন লেগে থাকার মন-মানসিকতা এবং প্রচণ্ড পরিশ্রম। পরিশ্রম আছে তাই বলে এটি কঠিন কিছু নয়। যেকোন স্কিলই আয়ত্ব করার  ক্ষেত্রে মন-প্রান দিয়ে লেগে থেকে কাজ করে গেলে সফলতা আসবেই ইনশাআল্লাহ।

The post SEO কী এবং এর গুরুত্ব appeared first on Sarkar IT.

]]>
https://www.sarkarit.com/what-is-seo-why-its-important/feed/ 0
বিজনেস শুরু করতে বিজনেস কনসালটেন্টের সাথে পরামর্শ কেন প্রয়োজন? https://www.sarkarit.com/why-business-consultation-is-needed-to-run-business/ https://www.sarkarit.com/why-business-consultation-is-needed-to-run-business/#respond Tue, 16 Nov 2021 09:48:59 +0000 https://www.sarkarit.com/?p=8706 বিজনেস শুরু করা ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর বুঝতে ও সঠিক পরামর্শ পেতে আপনার একজন প্রফেশনাল বিজনেস কনসালটেন্ট

The post বিজনেস শুরু করতে বিজনেস কনসালটেন্টের সাথে পরামর্শ কেন প্রয়োজন? appeared first on Sarkar IT.

]]>

বিজনেস শুরু করা ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর বুঝতে ও সঠিক পরামর্শ পেতে আপনার একজন প্রফেশনাল বিজনেস কনসালটেন্ট এর সাথে পরামর্শ করা খুবই প্রয়োজনীয়। বিজনেস কনসালটেন্ট হলো এমন একজন পেশাদার ব্যাক্তি যিনি সঠিক পরামর্শ ও গাইডলাইন দেওয়ার মাধ্যমে আপনার কোম্পানি বা বিজনেসকে সুন্দরভাবে পরিচালনা ও উন্নয়ন সাধনে সহায়তা করবে।এই আর্টিকেলটির মাধ্যমে জানতে পারবেন, একজন প্রফেশনাল বিজনেস কনসালটেন্ট কি এবং কেন ব্যাবসা পরিচালনায় একজন বিজনেস কনসালটেন্টের পরামর্শগ্রহন করা দরকার।

বিজনেস কনসালটেন্ট আসলে কী?

একজন বিজনেস কনসালটেন্ট হলো এমন একজন পেশাদার ব্যাক্তি যিনি ব্যাবসায়িক কর্তৃপক্ষকে তাদের এনালাইসিসের ভিত্তিতে পরামর্শ দিয়ে তাদের ব্যাবসায়ীক সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করে।এমনকি ব্যাবসার কোনো সিদ্ধান্ত বা কোনো কিছুতে সামান্যতম ত্রুটি থাকলেও বিজনেস কনসালটেন্ট তা খুব সহজেই তার বিচক্ষণতার মাধ্যমে খুজে বের করে।

একজন বিজনেস কনসালটেন্ট এর কাজ সাধারণত কী কী?

বিজনেস কনসালটেন্টরা আপনার ব্যবসার যে কোনো ধরনের পরামর্শগত প্রয়োজনে খুব ভালোভাবে সাহায্য করতে পারে।  কিছু কিছু বিজনেস কনসালটেন্টরা বিশেষ বিশেষ ইন্ডাস্ট্রির ব্যাপারে খুব বেশি ধারনা রাখেন তথা নির্দিষ্ট বিজনেস ইন্ডাস্ট্রির ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ।আবার কেউ কেউ সাধারণভাবে সব ধরনের ইন্ডাস্ট্রির ব্যাপারেই ধারনা রাখেন।বিজনেস কনসালটেন্টরা বিভিন্ন ধরনের সেবা প্রদান করেন।কিছু সাধারণ সার্ভিসের কথা নিচে লেখা হলোঃ

১)কোম্পানির সমস্যা ও বাধাগুলি চিহ্নিত করা

২)কোম্পানির উন্নতির লক্ষ্যে কী ধরনের পরিবর্তন করা দরকার তা নির্ধারণ করা এবং পরিবর্তনগুলি বাস্তবায়নে মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করে  সহায়তা করা

৩)কর্মীদেরকে বিজনেস পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ এবং ম্যাটারিয়াল প্রদান করা

৪)একটি ব্যবসায় খুব ভালো উন্নতি করার জন্য বাক্সের বাইরে আইডিয়া বের করা

৫)ব্যবসায়িক পরিকল্পনা এবং নতুন ব্যবসা তৈরিতে সহায়তা করা

৬)নতুন নতুন প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন

৭) কোম্পানির বাজেট বিশ্লেষণ করা ও সমন্বয় করার জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করা

বিজনেস কনসালটেন্টদের সুবিধা কি?

 – একজন  বিজনেস কনসালটেন্ট নিয়োগ করা একটি কোম্পানিকে অনেক সুবিধা প্রদান করতে পারে।  সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণগুলির মধ্যে রয়েছে কোম্পানির বাইরের দৃষ্টিভঙ্গির সুবিধা গ্রহণ করা, অন্যান্য ক্লায়েন্ট এবং ইন্ডাস্ট্রির কাছ থেকে নেওয়া অন্তর্দৃষ্টি এবং দক্ষতা ব্যবহার করা, পরিকল্পনা তৈরিতে সহায়তা গ্রহণ করা এবং সেগুলি সংঘটিত করার জন্য সংস্থান এবং আরও অনেক কিছু।  বৃহত্তর বোঝার জন্য নীচে কিছু নির্দিষ্ট উদাহরণ দেওয়া হল।

১) একজন ব্যবসায়িক পরামর্শদাতার একটি সক্রিয় ও সৃজনশীল মাইন্ড এবং দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে, যা তাদের এমন সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম জিনিসগুলিও ফোকাস করতে দেয়  যা সাধারনত ব্যবসার মালিকরা তেমন একটি নাও করতে পারে।তাই বিজনেস কনসালটেন্টের ফোকাসকৃত সূক্ষ্ম পয়েন্টগুলো বিজনেসের খুব ভালো উন্নতি ঘটাতে পারে।

২)বিজনেস কনসালটেন্টরা প্রায়ই একাধিক ইন্ডাস্ট্রির সাথে এবং বিভিন্ন ধরনের ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করে। এর ফলে তারা অনেকগুলো উৎস থেকে ব্যাবসায়ীক অভিজ্ঞতা ও ধারনা  লাভ করতে পারে। তারা অন্যান্য ইন্ডাস্ট্রি থেকে প্রাপ্ত দক্ষতা বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিতে ব্যবহার করতে পারে।

৩)আপনার জন্য আপনার কোম্পানির ব্যাবসায়ীক প্রচারণা এবং ব্যবসায়িক পরিকল্পনা ডিজাইন করা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে এবং এটি প্রচুর সময়সাপেক্ষ ব্যাপারও বটে।কিন্তুু বিজনেস কনসালটেন্টরা এই পরিকল্পনাগুলি আরও দ্রুত এবং স্পষ্টভাবে সম্পাদন করতে সহায়তা করে এবং তারপরে আপনাকে সেগুলি কাজে বাস্তবায়নেও সহায়তা করবে।

৪) বিজনেস কনসালটেন্টরা আপনার কোম্পানির শক্তিশালী পয়েন্টগুলো এবং দুর্বলতাগুলি সহজেই চিহ্নিত করতে পারেন যা আপনার পক্ষে খুজে বের করা হয়তো অনেক জটিল।

৫)বিজনেস কনসালটেন্টরা আপনার টাকা ব্যয়ের ক্ষেত্রে দুর্বল খাতগুলো খুঁজে পেতে সাহায্য করতে পারে এবং সেই খাতগুলির জন্য সৃজনশীল কিছু ইফেক্টিভ সমাধান প্রদান করতে পারে।যেন ব্যায়ের পরিমান কমিয়ে বেশি লাভবান হওয়া যায়।

৬)বিজনেস কনসালটেন্টরা আপনার কাঙ্খিত ক্লায়েন্টকে নিয়ে গবেষণা করে এবং তাদের আকৃষ্ট করার জন্য একটি টার্গেটেড মার্কেটিং প্ল্যান তৈরি করে বিক্রয় বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।

৭) সময় বাঁচিয়ে অন্যান্য লাভজনক দিকে  ফোকাস করার সুযোগ পাবেন

ইন্ডাস্ট্রির ম্যানেজারদেরকেই সাধারনত কোম্পানির সবধরনের সমস্যা দেখভাল করতে হয়।যা একজন ম্যানেজারের জন্য খুবই কঠিন হয়ে যায়। এতে ম্যানেজারের ক্রিয়েটিভ এবং ইউনিক আইডিয়া বের করাটা কঠিন হয়ে পরে।  অথচ ব্যাবসার প্রোডাক্টিভিটি বাড়াতে নির্দিষ্ট কিছু সমস্যা সলভ করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু ব্যাক্তির কাজ করা উচিত।যদিও বেশিরভাগ কোম্পানিই এটা করতে পছন্দ করে না, কারণ এটি ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে। যাইহোক, একজন বিজনেস কনসালটেন্ট নিজের দক্ষতা ও সময় ব্যাবহার করে সারা বিশ্বের অন্যান্য কোম্পানির ডেটা সংগ্রহ, কোম্পানির সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নসহ ইউনিক আইডিয়া প্রদানের কাজও করেন। ব্যবসার মালিক বা ম্যানেজার এই সময়টি ব্যবসার অন্যান্য দিকগুলোতে ফোকাস করতে পারেন যা উচ্চ মুনাফায় অবদান রাখে।

৮)আপনি নতুন কিছু বিজনেস স্কীলের সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবেন

যে কোনও ব্যাবসায়িক পরামর্শদাতা বা বিজনেস কনসালটেন্টের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা হ’ল ব্যবসায়িক কৌশল, পলিসি এবং চাহিদার ভিত্তিতে ব্যবসাটির ক্রমশ উন্নতি সাধন করা।যখন একজন পরামর্শদাতা এই পদ্ধতিগুলিকে কাজে লাগান,তখন কোম্পানির একজন মালিক বা ব্যাবস্থাপক হিসেবে ব্যাবসায়ীক সিদ্ধান্তে পৌছুতে  কোন কোন প্যারামিটার তারা কীভাবে ব্যবহার করেছে সে সম্পর্কে একটি গভীর ব্যাখ্যা চাওয়া খুবই সাধারণ ব্যাপার।তার কাছ থেকে ব্যাখা জানার মাধ্যমে কোম্পানির শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিদের জন্য এটি নতুন ব্যবসায়িক পরামর্শের দক্ষতা শেখার সঠিক একটি সময়।  এই দক্ষতাগুলি পরবর্তীতে দীর্ঘমেয়াদে কাজে লাগাতে পারবেন।এমনকি  যদি ব্যাবসায়িক পরামর্শদাতা চলে যান বা তাদের চুক্তির মেয়াদ শেষও হয়ে যায়।

The post বিজনেস শুরু করতে বিজনেস কনসালটেন্টের সাথে পরামর্শ কেন প্রয়োজন? appeared first on Sarkar IT.

]]>
https://www.sarkarit.com/why-business-consultation-is-needed-to-run-business/feed/ 0